June 2, 2026, 4:55 pm
শিরোনাম :
ইয়াবাসহ নীলফামারীতে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার খুলনায় দুর্বৃত্তের হামলায় যুবক নিহত, মরদেহ উদ্ধার ১৪ বছর ধরে কম্পিউটার শিক্ষা বন্ধ: প্রশ্নের মুখে বিদ্যালয় পরিচালনা ও তদারকি ব্যবস্থা দৌলতপুরে বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩; রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগ বিজয়নগরে বিজিবির জোড়া অভিযান, মদ-বিয়ার ও গাঁজা জব্দ মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নেই, অপরাধী যে দলেরই হোক আইনের আওতায় আনা হবে’ — এস এ জিন্নাহ কবির আশ্রয়ণবাসীর শিক্ষার নতুন দিগন্ত: ভোগডোমা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম জাফলংয়ে পানিতে ডুবে কিশোর পর্যটকের মৃত্যু বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে নোয়াখালীতে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা সড়কে ধান শুকানো: কৃষকের প্রয়োজন নাকি জননিরাপত্তার হুমকি?

ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্তকে রাতভর আটকে রেখে সালিস ও মারধরের ঘটনায় মামলা

অভয়নগর প্রতিবেদক

নওগাঁর তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে রাতভর আটক রেখে সালিস ও মারধরের ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আইন হাতে নেওয়া ও অবৈধভাবে আটক রাখার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার বিবরণ
গত রোববার (১ মার্চ) সকালে তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের তেপাড়া গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে হোসেন আলী (৩৫)-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্যের জিম্মায় দেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে রাতভর সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ধর্ষণচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আপোষের চেষ্টা ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন।
সংশ্লিষ্টদের মন্তব্য
ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল। ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান কামরুল জানান, সালিস বৈঠকে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
প্রশাসনের পদক্ষেপ
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম মাসুদ রানা জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ধর্ষণচেষ্টার মতো ফৌজদারি অপরাধে স্থানীয় সালিসের বৈধতা ও প্রভাব পুনঃমূল্যায়ন করা হবে এবং ঘটনার পূর্ণ তদন্ত করা হবে। আইনজীবীদের মতে, এ ধরনের ঘটনায় আপোষ বা জরিমানা আদায় বেআইনি; বরং অবৈধভাবে আটক রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগেও মামলা হতে পারে।
স্থানীয়রা উত্তেজনা প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



ফেসবুক কর্নার