
লক্ষ্মীপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে দালালচক্রের তৎপরতা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম উদ্বেগে পড়েছেন সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা। হাসপাতালের ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগের আশপাশে সক্রিয় দালালরা রোগীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে সরিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চিকিৎসক দেখানো, দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বেডের ব্যবস্থা এবং উন্নত চিকিৎসার আশ্বাস দিয়ে দালালরা অসহায় রোগী ও স্বজনদের টার্গেট করে। এতে অনেক রোগী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং সরকারি হাসপাতালের সেবার প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন।
জানা গেছে, এর আগেও যৌথ বাহিনীর অভিযানে হাসপাতাল থেকে একাধিক দালালকে আটক করা হয়েছিল। ২০২৫ সালে পরিচালিত এক অভিযানে সাতজন দালাল আটক হন। তবে কিছুদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পরে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে চক্রটি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধু মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। তারা হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আনসার সদস্য বৃদ্ধি, নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং আটক দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী রোগী ও স্থানীয়দের দাবি, রোগীবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। তাদের মতে, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ না হলে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার মান ও জনগণের