June 7, 2026, 7:25 am
শিরোনাম :
দৌলতদিয়ায় পদ্মায় বাসডুবি: চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে আজাদী মঞ্চের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা তুচ্ছ বিরোধে লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ওপর হামলার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্ক, ৪৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা ৭৬ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের ধামরাইয়ে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ হিলি সীমান্তে পাঁচ বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা, বাধা দিল বিজিবি মাদকবিরোধী অভিযানে কাউনিয়ায় ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ক্যান্সারে থমকে স্বপ্ন, বাঁচতে চায় মিলি

মাসুদ রাইহান মনিরামপুর যশোর

“মিলি ছোটবেলা থেকেই বলত— মা, আমি বড় হয়ে ডাক্তার হব, গরিব মানুষের সেবা করব। ওর বাবার মৃত্যুর পর অনেক কষ্ট করে ওকে পড়িয়েছি। কিন্তু আজ আমার মেয়েটা হাসপাতালের বিছানায় কষ্টে দিন কাটাচ্ছে…”—কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী শিক্ষার্থী সামিয়া জামান মিলির মা সেলিনা বেগম।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের এই মেধাবী শিক্ষার্থী বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মিলি ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখত। কিন্তু কয়েক মাস আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার জীবনের গতিপথ বদলে যায়।
স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে তার শরীরে ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে। বর্তমানে তিনি সেখানেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মিলির পরিবার জানায়, ২০২০ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই তার বাবা নবীরুজ্জামানের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করেই পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিল মিলি। কিন্তু হঠাৎ এই দুরারোগ্য ব্যাধি তার সব স্বপ্নকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
মিলির শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ বাবুল আক্তার বলেন, মিলি অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী। বিজ্ঞানের মতো কঠিন বিষয়েও তার দখল ছিল অসাধারণ। অর্থের অভাবে এমন একটি মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন থমকে যাবে, তা মেনে নেওয়া যায় না। সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
বর্তমানে মিলির কেমোথেরাপি চলছে, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। দীর্ঘমেয়াদী এই চিকিৎসার খরচ বহন করার মতো সামর্থ্য তার বিধবা মায়ের নেই। পরিবারটির কোনো জমিজমা বা সঞ্চয়ও নেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা এই পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।
তবে মিলি হার মানতে রাজি নয়। সে আবারও ক্লাসরুমে ফিরতে চায়, বই হাতে নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন বুনতে চায়।
সহযোগিতার আহ্বান
মিলির এই কঠিন লড়াইয়ে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দিতে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
ব্যাংক হিসাব: আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড
হিসাব নম্বর: ০২৩০০০৫৫৮৯৮৫১ (সঞ্চয়ী)
বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৮৮৭-১৪০১৯৯
আপনার সামান্য সহায়তাই বাঁচাতে পারে একটি প্রাণ, পূরণ করতে পারে এক মেধাবী শিক্ষার্থীর ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন।



ফেসবুক কর্নার