April 25, 2026, 11:22 am
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘হেল্পলাইন’ নামের সংগঠনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ টেকনাফে মাদক মামলার আসামি রাসেল আটক বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস পালিত: নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ভেটেরিনারিয়ানদের গুরুত্ব তুলে ধরা হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার আসনের চেয়ে পরীক্ষার্থী কম: দুশ্চিন্তার ভাঁজ শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের কপালে কম সুদে প্রি-শিপমেন্ট ঋণ সুবিধা চালু, রফতানিতে গতি ফেরানোর উদ্যোগ অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণে শাস্তির বিধান: নতুন সাইবার আইনে গোপনীয়তা সুরক্ষায় জোর আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা: বিচার ব্যবস্থায় অনৈতিকতা বরদাস্ত নয় পরিত্যক্ত স্কুল ভবনে মাদক আসর, আতঙ্কে মণিরামপুরের স্থানীয়রা জকসুকে দলীয় কর্মসূচিতে ব্যবহারের অভিযোগে প্রতিবাদ ছাত্রদল-সমর্থিত প্রতিনিধিদের টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ মানবপাচারকারী আটক

চরাঞ্চলের আলু পরিবহনে অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ—বঞ্চিত শ্রমিক, প্রশ্নের মুখে ‘সিন্ডিকেট’

অভয়নগর প্রতিবেদক

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার চরাঞ্চলে আলু পরিবহনকে কেন্দ্র করে অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। শ্রমিকদের দাবি, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে পুরো পরিবহন ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে অতিরিক্ত অর্থ আদায় হলেও প্রকৃত শ্রমিকরা পাচ্ছেন না ন্যায্য মজুরি।
রোববার (২৯ মার্চ) সরেজমিনে দিঘিরপাড়, হাসাইল ও চর বেহেরপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চল থেকে আলু সংগ্রহ করে ঘোড়ার গাড়ি ও ট্রলির মাধ্যমে সড়কে আনা হচ্ছে। পরে সেখান থেকে হিমাগারে পাঠানো হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় শতাধিক শ্রমিক কাজ করলেও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সীমিত কয়েকজনের হাতে—এমনটাই অভিযোগ তাদের।
শ্রমিকদের ভাষ্য, নির্দিষ্ট কয়েকজনের মাধ্যমে কাজ নিতে বাধ্য করা হয়। সাহা হালদার, রুবেল খান ও মিজান বেপারীর নাম উল্লেখ করে তারা বলেন, “তাদের মাধ্যম ছাড়া কাজ পাওয়া কঠিন। নিয়ম না মানলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।”
মজুরি নিয়েও রয়েছে ক্ষোভ। এক শ্রমিক জানান, পাইকারদের কাছ থেকে প্রতি বস্তায় ৩০ থেকে ৫০ টাকা নেওয়া হলেও শ্রমিকরা পান মাত্র ১৮ থেকে ২০ টাকা। এতে কঠোর পরিশ্রমের পরও তারা ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্টরা ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। সাহা হালদার বলেন, তারা ২৫ টাকা নেন এবং শ্রমিকদের ২০ টাকা দেন; সর্দার ও তদারকির খরচ বাদ দিলে তাদের হাতে খুব কমই থাকে। রুবেল খান দাবি করেন, এখনো কোনো নির্দিষ্ট রেট নির্ধারিত হয়নি। মিজান বেপারী বলেন, তিনি কেবল শ্রমিকদের সহায়তা করছেন, সিন্ডিকেটের অভিযোগ সঠিক নয়।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



ফেসবুক কর্নার