
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার মামুদপুর গ্রামের প্রবাসী যুবক মো. নবী হোসেন তার পারিবারিক জীবনে ভাঙনের অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি আব্দুল হাশেম মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বড় হয়ে ওঠা নবী হোসেন বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা সংসার শুরু করেন। জীবিকার তাগিদে বিদেশে গিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটান। স্ত্রীকে ভালোবেসে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন সুবিধাও প্রদান করেন।
তবে একপর্যায়ে পারিবারিক বিরোধের সূত্রপাত হয়। নবী হোসেনের দাবি, বড় ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব এবং আত্মীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভাইয়ের শ্বশুর মোহাম্মদ ফুল মিয়া, যিনি কবিরাজ হিসেবে পরিচিত, তাদের পারিবারিক বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করেন। যদিও এ বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রায় তিন মাস আগে পারিবারিক ভুল বোঝাবুঝির জেরে নবী হোসেন ও তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। বর্তমানে তার স্ত্রী তাহমিনা দুই কন্যা সন্তান—জান্নাতুল ফেরদৌস ও তহা মনীকে নিয়ে মিঠামইনের গোবিন্দপুর গ্রামে পিতৃগৃহে অবস্থান করছেন।
নবী হোসেন জানান, বর্তমানে তার দাম্পত্য সম্পর্ক সংকটাপন্ন এবং তাকে বিচ্ছেদের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি একটি শান্তিপূর্ণ সংসার চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিবারিক বিরোধে তা ভেঙে গেছে।”
এ ঘটনায় তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজের সচেতন মহল এবং প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।