
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতায় সড়ক ও জনপদ বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানের পরও পুনরায় সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের নলতা কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি উচ্ছেদ করা জায়গায় আবারও দোকানঘর নির্মাণের কাজ চলছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই জমিতে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে সংশ্লিষ্টদের ৭ দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সড়ক ও জনপদের জমি দখল করে পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করা বাংলাদেশ সরকারের ভূমি ও বিল্ডিং (দখল উদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০-এর ৫ ধারার পরিপন্থী এবং মহাসড়ক আইন, ২০২১-এর ১৪(৭) ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।
সংশ্লিষ্ট আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে অনূর্ধ্ব দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
জানা যায়, সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালী পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে উভয় পাশ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। তবে কিছুদিনের মধ্যেই কালীগঞ্জ, শ্যামনগর ও দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুনরায় সড়কের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের মদদে এ ধরনের দখল কার্যক্রম চলছে। ফলে প্রশাসনের নির্দেশনা কার্যকর করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।