June 27, 2026, 2:15 pm
শিরোনাম :
শ্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন, কেন্দুয়ায় আলোচনায় তরুণীর অবস্থান সীমান্তবর্তী দৌলতপুরে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য দেশে গাঁজা ব্যবহারে উদ্বেগ, তরুণদের মধ্যে আসক্তির ঝুঁকি বাড়ছে রাজধানীর শাহবাগে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার জীবন কোনোদিনই সরল ছিলো না, হবেও না: জয়া আহসান ১১ বছর পর ফের গতি পেল নড়িয়ার গোলাম মাওলা সেতুর নির্মাণকাজ কিশোরগঞ্জে ১০ ক্রিকেটের পর্দা নামল, উৎসবমুখর ফাইনালে চ্যাম্পিয়নদের পুরস্কার চেকপোস্টে ডিবির জালে চালক, চোলাই মদ উদ্ধার ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

বাউফল পৌর নির্বাচন ঘিরে এডিসি রিয়াজকে নিয়ে বিতর্ক, অভিযোগ-প্রত্যাখ্যান

অভয়নগর প্রতিবেদক

আসন্ন পটুয়াখালীর বাউফল পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রিয়াজ হোসেনকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তিনি তা সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন।
শনিবার (২ মে) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সময় তাদের ওপর হামলায় জড়িত ছিলেন রিয়াজ হোসেন। মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাউফল পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে রিয়াজ হোসেন আলোচনায় রয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে রিয়াজ হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীদের আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম শাখায় দায়িত্ব পালন করেছি, যা মূলত অফিসভিত্তিক কাজ ছিল। মাঠ পর্যায়ে বা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আমার কোনো দায়িত্ব ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর হঠাৎ এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন প্রশ্নবিদ্ধ এবং এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “এডিসি রিয়াজ হোসেনের বক্তব্য সঠিক বলে মনে হচ্ছে। মানববন্ধনটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে।”
জানা গেছে, রিয়াজ হোসেন গত ৩০ এপ্রিল অবসর গ্রহণ করেছেন এবং তার অবসর সংক্রান্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চলমান রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার