June 22, 2026, 9:03 pm
শিরোনাম :
মেসির জোড়া গোলে নকআউটে আর্জেন্টিনা সংসদের ছুটিতে মান্দায় ছুটে আসেন এমপি ডা. ইকরামুল বারী টিপু কে হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী মাঠে নামলেই তিন রেকর্ড ভাঙার হাতছানি মেসির সামনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন: সরে গিয়েও হাজির বাপ্পারাজ! জনদুর্ভোগ নিরসনে মাঠে জেলা প্রশাসক, উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে ডিসি নাজমুন আরা সুলতানা ভারতে কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৩ বেলা সাড়ে ১১টাতেও অফিসে অনুপস্থিত ডিডি, তথ্য চাইতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী নোবিপ্রবির ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষামন্ত্রীর অংশগ্রহণ, শিক্ষা-গবেষণায় নতুন প্রত্যয়ের ঘোষণা

১৪ বছর ধরে কম্পিউটার শিক্ষা বন্ধ: প্রশ্নের মুখে বিদ্যালয় পরিচালনা ও তদারকি ব্যবস্থা

অভয়নগর প্রতিবেদক

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্ব

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রামের দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর ধরে কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার অভিযোগ নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। শুধু কম্পিউটার শিক্ষকের দীর্ঘ অনুপস্থিতিই নয়, বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক তদারকি ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ক্লাস কার্যত বন্ধ থাকলেও এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একজন শিক্ষক নিয়মিত পাঠদান না করলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, পরিচালনা কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসার কথা। কিন্তু বছরের পর বছর এ পরিস্থিতি চলতে থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিভাবকদের দাবি, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কম্পিউটার শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে তারা আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে জবাবদিহি দাবি করেছেন তারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বিষয়টি শুধু একজন শিক্ষকের অনুপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক প্রশাসনিক তদারকি ব্যবস্থাও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জেলা শিক্ষা অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি বেতন উত্তোলন করেছিলাম, পরে তা ফেরত দিয়েছি।” তবে কী কারণে বেতন উত্তোলন করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ফেরত দেওয়া হয়েছে— সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এ অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও নথিপত্র সংগ্রহ করেছে জাতীয় দৈনিক অভয়নগর পত্রিকার অনুসন্ধান টিম। বিষয়টির আরও বিস্তারিত তথ্য, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য এবং নতুন অনুসন্ধান নিয়ে শিগগিরই প্রকাশিত হবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তৃতীয় পর্ব এবং প্রচারিত হবে অভয়নগর মাল্টিমিডিয়ার ভিডিও প্রতিবেদন

(চলবে)



ফেসবুক কর্নার