August 5, 2026, 1:02 pm
শিরোনাম :
জবিতে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ হাসিনার মতোই জনগণ তারেক রহমানের বিচার করবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জুলাই সনদের আলোকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল শেয়ালের হাতে মুরগি তুলে দেওয়ার মতো ভুল করেছি: চরমোনাই পীর বস্তির জীবন ছেড়ে আজ দুই বাড়ির মালিক অভিনেত্রী সিএনজির গোপন বক্সে থেকে গাঁজা উদ্ধার, চালক গ্রেপ্তার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে আজ দুই মেগা কনসার্ট কেন্দ্রের বোঝাপড়া তৃণমূলে এলে কি আলিফের চোখটা যেত: তাসনিম জারা শান্তির বাংলাদেশ চাই, সংঘাতের নয়: মিজানুর রহমান আজহারী রাষ্ট্রপতির সামনেই জুলাই শহীদদের ডকুমেন্টারি ঘিরে হট্টগোল

পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’: নেপথ্যে প্রতিহিংসার অভিযোগ

অভয়নগর প্রতিবেদক

কক্সবাজার টেকনাফ ও ঈদগাঁও থানায় দায়িত্ব পালনকালে একের পর এক অভিযানের মাধ্যমে মানব পাচারকারী ও মাদক সিন্ডিকেটের ভিত নাড়িয়ে দেয়া এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ এর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বর্তমানে ঈদগাঁও থানায় কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) বদিউল আলম।
জানা যায়, টেকনাফে দায়িত্ব পালনকালে মাত্র আড়াই মাসের মধ্যে এস, আই বদিউল আলম অভাবণীয় সাফল্য অর্জন করেন। তার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ১৯৩ জন মানব পাচারের শিকার ভিকটিম উদ্ধার, ২০ জন অপহৃত ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার, ২৫ জন কুখ্যাত মানব পাচারকারী ও অপহরণকারী গ্রেপ্তার, বিপুল পরিমাণ মাদক, বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একটি চাঞ্চল্যকর মানব পাচারকালে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং আসামিদের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও নিশ্চিত করা হয়।আরও জানা যায়, ২৯ জানুয়ারি টেকনাফের একটি শক্তিশালী মাদক ও অপহরণকারী চক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তারের পর থেকেই একটি মহল এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজারের দু’জন প্রভাবশালী গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে ব্যর্থ হয়ে এস, আই বদিউল আলমকে পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির পর থেকেই ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই মাস আগের একটি পুরনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো’ ও ‘টাকা লেনদেনের’ মতো ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে। সিসিটিভি ফুটেজের ব্যাখ্যা এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই ২ লাখ টাকা গ্রহণের অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা পুরোপুরি উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
এ বিষয়ে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ টি এম শিফাতুল মাজদার জানিয়েছেন, “এসআই বদিউল আলমের বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। এ সংক্রান্ত কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঈদগাঁও টু ঈদগড় সড়কে ডাকাতি ও সন্ত্রাস দমনে যখন এস, আই বদিউল আলম দিনরাত ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করছেন, ঠিক সে সময় অপরাধীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতেই তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে।



ফেসবুক কর্নার