April 26, 2026, 6:03 am
শিরোনাম :
হিজলায় অভিযান: ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক বনানীতে মাদক কারবারের অভিযোগ: উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা কসবার দ্বীন-ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আউয়াল গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় সোমা আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি রৌমারীতে জ্বালানি সংকট: চরম ভোগান্তিতে জনজীবন, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা দিরাইয়ে ২৫ লিটার চোলাইমদসহ যুবক গ্রেপ্তার দিরাইয়ে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ,ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু, মামলা দায়ের রাজশাহীতে হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরামের বিভাগীয় সমাবেশ ‘অপরাজনীতিতে আর একটি প্রাণও অপচয় নয়’ নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ও বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস পালিত

ফরিদপুর-১ আসনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে আরিফুর রহমান দোলনকে ঘিরে সমালোচনা

অভয়নগর প্রতিবেদক

ফরিদপুর-১ সংসদীয় আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুর রহমান দোলনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর নামে পরিচালিত একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ থেকে প্রকাশিত ধারাবাহিক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
পর্যবেক্ষকদের দাবি, দোলনের নামে পরিচালিত দুটি আলাদা পেজ থেকে দেওয়া পোস্ট ও স্ট্যাটাসে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব বক্তব্যে প্রমাণ উল্লেখ না করেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কথা উল্লেখ করে পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, কোনো অভিযোগ থাকলে তা নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়ায় উত্থাপন করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করতে পারে এবং প্রশাসনের ওপর অনৈতিক চাপ সৃষ্টির শামিল।
একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এভাবে সামাজিক মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযোগ প্রচার করা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে।”
সমালোচকদের অভিযোগ, এসব স্ট্যাটাসে একদিকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উত্থাপন করে মাঠের পরিস্থিতিকে অস্থির করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাস তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা যেমন জরুরি, তেমনি দায়িত্বশীল মন্তব্য ও আচরণও একজন প্রার্থীর নৈতিক বাধ্যবাধকতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে নির্বাচনী চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা গণতান্ত্রিক চর্চার সাথে সাংঘর্ষিক—বলেই মন্তব্য করেছেন তারা।
এ বিষয়ে আরিফুর রহমান দোলনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে নির্বাচন কমিশন কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।



ফেসবুক কর্নার