March 10, 2026, 11:57 am

ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আসাদুজ্জামান আয়কর দেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা

অভয়নগর প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা উপজেলা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা। এ বছর জমা দেয়া আয়কর রিটার্নে তার প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। এরমধ্যে বাৎসরিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭টাকা। এছাড়া তার স্ত্রীর আয়কর দিয়েছেন ৫ হাজার টাকা। তার বাৎসরিক আয় ৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৬০ টাকা। স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা। স্ত্রীর পেশা শিক্ষকতা।
ইলেকশন অফিসে জমা দেয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। মো. আসাদুজ্জামান সর্বশেষ দেশের এটর্নি জেনারেল ছিলেন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা সরকার পালিয়ে গেলে ৮ আগস্ট ১৭তম এটর্নি জেনারেল হিসেবে যোগদান করেন।
আসাদুজ্জামান বাংলাদেশ সুপৃম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। হলফনামায় উল্লেখ করা তথ্যানুযায়ী নাম ‘মো. আসাদুজ্জামান। মাতার নাম মোছা. রোকেয়া খাতুন, পিতার নাম শেখ মো. ইসরাইল হোসেন ও স্ত্রীর নাম শিরিন সুলতানা। স্থায়ী ঠিকানা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া। তার পেশা আইনজীবী। অঞ্জলি জামান কথা ও অধরা জামান নামে দুই কন্যা রয়েছে, যাদের পেশা লেখাপড়া। এছাড়া তার স্ত্রী শিরীন সুলতানার পেশা শিক্ষকতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মো. আসাদুজ্জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ২৭ ডিসেম্বর এটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালনের আগে এডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন।
১৯৮৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবিও এলএলএম সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্ত হন।
পরের বছর হাই কোর্ট বিভাগের আইনজীবী হন। ২০০৫ সালে তিনি সুপৃম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।’
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী ‘মো. আসাদুজ্জামান আইন পেশা থেকে বাৎসরিক আয় করেন ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা। শেয়ার সঞ্চয় ও ব্যাংক আমানত থেকে আয় ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় ৭৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং বাড়ি ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে আয় ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার বাৎসরিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা।
তার নগদ টাকার পরিমাণ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা। ব্যাংক আমানত ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা। সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। এছাড়া তার দুইটি প্রাইভেট কার ও ২০ তোলা স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। তবে স্বর্ণের সবটুকু উপহার হিসেবে পাওয়া বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তার ঢাকার সাভার, মোহাম্মদপুর ও উত্তরায় জমি ও বাড়ি রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। তার নামে কখনো কোনো মামলা হয়নি বলেও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।



ফেসবুক কর্নার