August 6, 2026, 3:39 am
শিরোনাম :
মামলায়হাছান-নওফেল-ফজলে করিমসহ ২২ জনের বিচারে সাক্ষ্য শুরু আজ জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোজাফফরের ফেসবুক তথ্য চেয়ে মেটাকে চিঠি কার সাথে ‘আঁতাত’, এ জবাব দিতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে: জামায়াত আমীর মাগুরায় সাকিব আল হাসানের বাড়িতে আগুন শেখ হাসিনাকে গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ দেয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষোভ কিস্তির টাকা আদায়ে গ্রাহকের গরু নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ইএসডিওর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জামায়াত নেতা বহিষ্কার প্রেমের টানে কেরানীগঞ্জে চীনা যুবক, বিয়ে করলেন জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা:মাওলানা আব্দুল আউয়াল নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০

পাবনায় সাংবাদিক নেতার গ্রে*ফতার: মিথ্যা মা*মলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

অভয়নগর প্রতিবেদক

পাবনায় সাংবাদিক নেতা ও স্থানীয় একটি পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আলী কাদেরীর গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জেলার সর্বস্তরের জনগণ। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রবিবার ৪ জানুয়ারী দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের পাশাপাশি শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সাংবাদিক মাহফুজ আলী কাদেরীর মুক্তির দাবিতে নানা স্লোগান দেন এবং তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাকে হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।
বক্তারা বলেন, মাহফুজ আলী কাদেরী একজন সৎ ও সাহসী সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। তার লেখনীর কারণে ক্ষুব্ধ একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। একজন সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি এবং গণতন্ত্রের জন্য অশুভ বার্তা।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, অবিলম্বে মাহফুজ আলী কাদেরীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন জনগণ আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ মাহফুজ আলী কাদেরীকে গ্রেফতার করে। তার গ্রেফতারের খবরে জেলার সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার দাবি জানান।



ফেসবুক কর্নার