ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ পৌর এলাকাসহ কয়েকটি ইউনিয়নে একদিনে ৯ জন কুকুরের কামড়ের শিকার হয়েছেন। শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আহতরা কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন নিতে আসেন। কিন্ত হাসপাতালে কোন ভ্যাকসিন না থাকায় তাদেরকে চরম বিপাকে পড়তে হয়। রোগীরা বাধ্য হয়ে বাজার থেকে ব্যয়বহুল ভ্যাকসিন কিনে শরীরে দিয়ে বাড়ি ফেরেন।
আহতরা হলেন- কালীগঞ্জ পৌর এলাকার বলিদাপাড়া গ্রামের বয়োবৃদ্ধ আমিরুল ইসলাম (৬০), চাচড়া গ্রামের শিশু ইমাম মাহাদী (৫), জামাল ইউনিয়নের বড় তালিয়ান গ্রামের সুমন বিশ্বাস (৩২), শিকারপুর গ্রামের সাধনা বিশ্বাস (৩০), নাছোহাটি গ্রামের বয়োবৃদ্ধ সৈয়দ আলী (৭৫), রাখালগাছি ইউনিয়নের চাঁদপাড়া গ্রামের সাদ আলী (৬০), মোল্ল্যাকুয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম (৬২), নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আরশ আলী (২২), ও বড় রায়গ্রামের বিপ্লব হোসেনের শিশু কন্যা রাইসা (৩)। এরমধ্যে একজন বিড়ালে কামড়ানোর রোগীও রয়েছেন।
রোগীর স্বজনরা জানান, কুকুরে কামড়ের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিতে এসে তাত্ক্ষণিক চিকিৎসা পাননি কারণ হাসপাতালে কোন ভ্যাকসিন মেলেনি।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল ইসলাম বলেন, কুকুরের কামড়ে ৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে আসে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অথচ ভুক্তভোগী জনসাধারণের বক্তব্য অন্যরকম।