June 4, 2026, 3:14 am
শিরোনাম :
ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধর , চালক আটক টাঙ্গাইলে মাদকসহ গ্রামবাসীর হাতে আটক কুখ্যাত মাদক কারবারি ছবুর মহাসড়ক যখন ধান শুকানোর চাতাল: রৌমারীতে বাড়ছে মৃত্যুফাঁদের ঝুঁকি কটিয়াদীতে এ.কে বাশার রতন হত্যা মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ফের হামলার অভিযোগ, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জবি রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে ৫৩৫তম স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্সের উদ্বোধন বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে ঝিনাইদহে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা ভোররাতের আগুনে পুড়ল হোটেল ও তেলের দোকান, ক্ষতি প্রায় ৫০ লাখ টাকা দুস্থদের মাঝে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ মায়ের কঙ্কালসার দেহ আর সফল সন্তানদের বিবেক: এক নির্মম সামাজিক বাস্তবতা নওগাঁয় মাদক ব্যবসার অভিযোগে ক্ষোভ, অভিযুক্ত নারীকে ঘিরে প্রশ্ন

এবার আ’লীগ নেতাকে আ*টক করে ছেড়ে দিলো থানা পুলিশ 

অভয়নগর প্রতিবেদক

রাজশাহী ব্যুরো: ঘুষ বানিজ্যের পর এবার আ’লীগ নেতাকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ শেষে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গোদাগাড়ী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
রোববার (৪ জানুয়ারী) গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে আটক করেন থানা পুলিশ। আটক মোহাম্মদ আলী (৭০) বাসুদেবপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাটা গ্রামের ইসাহাক মহাজনের ছেলে।  এএসআই সেলিম আটকের বিষয়ে স্বীকার করেন। তিনি বলেন ওসি’র নির্দেশ আ’লীগ নেতা মোহাম্মদ আলীকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আ’লীগ নেতা মোহাম্মদ আলীকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে সমালোচনার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী বলছেন থানা যেনো আটক “বানিজ্য কেন্দ্রে” পরিনত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে আ’লীগ নেতা ট্যাগ লাগিয়ে অর্থ দাবি, আবার অন্যদিকে প্রকৃত আ’লীগ নেতা ছেড়ে দেওয়া নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন। আ’লীগ নেতাকে রোববার সন্ধ্যায় আটক করে রাত ১২ টায় ছেড়ে দেওয়ায় মোটা অংকের লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। এ বিষয়ে বিএনপির নেতারা লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন বলেও নিশ্চিত করেন।
এলাকাবাসী আরও বলেন, মোহাম্মদ আলী আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকায় বিভাজন সৃষ্টি করে মানুষের মাঝে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে রাখতো।পরে ঐ মোহাম্মদ আলী নিজেই আবার সমাধান করে অর্থ আদায় করতো।তার ভয়ে ২০১৮ এর নির্বাচনে সাধারণ জনগণ ভোট দিতে পারতো।ভিন্নমতের লোকেরা তার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকতো।
অপরদিকে একই থানার এএসআই ফজলুর ঘুষ বানিজ্যের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ফজলুর ঘুষ বানিজ্যের ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও ভাবে প্রকাশ হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, থানায় সেবার পরিবর্তে আটক বানিজ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মাসোহারা উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এলাকায় দিন দিন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিষয়টি জানতে গোদাগাড়ী থানার ওসি হাসান বাশিরকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে থানায় গেলেও তিনি থানায় ছিলেন না। মুঠো ফোনে ক্ষুদে বার্তা দিলেও তিনি রিপ্লে করেননি। এ কারণে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজশাহী জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আ’লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছিলো এটা সঠিক। বয়স বিবেচনায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তির বয়য় ৭৫ + হবে। টাকা গ্রহণের বিষয়টি সঠিক নয়। তবুও যদি ভুক্তভোগী কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে যথাযথ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার