August 18, 2026, 4:46 pm
শিরোনাম :
পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার নয় গ্যাসসংকটে ২৬ দিন বন্ধ ময়মনসিংহের ২১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র, যুবদল নেতা হত্যা: স্ত্রীসহ দুজনের যাবজ্জীবন বন্দরে ন্যূনতম যাত্রীসেবাও নেই, ২ কোটি টাকার ঘাট ইজারায়ও কমেনি ভোগান্তি বিদ্যুৎহীন মোবাইলের আলোয় ৩৭ জনের ইমপ্লান্ট অপসারণ দৌলতপুরে খ্রিষ্টিয়ান নেতার জমি দখলের অভিযোগ, নেপথ্যে প্রভাবশালীদের ছায়া? ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ চারজন গ্রেপ্তার বিআরটিএ কার্যালয়ে পার্কিং সংকটে গ্রাহক-এলাকাবাসীর ভোগান্তি থানার হাজত থেকে আ.লীগ নেতার ভিডিও, ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার চালু হওয়ার প্রথম দিনেই পিংক বাসে ধাক্কা

দৌলতপুরে খ্রিষ্টিয়ান নেতার জমি দখলের অভিযোগ, নেপথ্যে প্রভাবশালীদের ছায়া?

অভয়নগর প্রতিবেদক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা বাজার এলাকায় জমি দখল, চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও মব সৃষ্টি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ খ্রিষ্টিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক চার্লস স্বাধীন বিশ্বাস নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং জমির মালিকানা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগে ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং অভিযুক্তদের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আল্লারদর্গা সিনেমা হল বাজার এলাকায় চার্লস স্বাধীন বিশ্বাসের প্রায় দুই শতক ভিটামাটির জমি রয়েছে। ক্রয়সূত্রে মালিকানার দাবি করা ওই জমিতে তাঁর নির্মিত প্রাচীর ও মালিকানার সাইনবোর্ড ভেঙে জায়গা দখলের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। জমির ভেতরে তাঁর দাদা ও জ্যাঠার কবর রয়েছে। কবর জিয়ারত করতে গেলেও তাঁকে বাধা দেওয়া এবং দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, চাঁদা না দেওয়ায় ভয়ভীতি, গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি তাঁকে ঘিরে মব তৈরি করে হত্যার অপচেষ্টা চলছে বলেও লিখিত আবেদনে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও ১৪৪ ধারার আদেশ বলবৎ থাকার পরও বিরোধপূর্ণ জমিতে পাইপ স্থাপন, ঘর নির্মাণ ও জমি দখলের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানের প্রথম পর্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠছে—জমিটির মালিকানা নিয়ে আদালতের আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা থাকার দাবি সত্ত্বেও কারা কীভাবে সেখানে নির্মাণকাজ বা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং এর পেছনে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা আছে কি না। অভিযোগে সরাসরি কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে অপরাধে জড়িত হিসেবে নিশ্চিতভাবে অভিযুক্ত করা যাচ্ছে না। তবে যদি কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা তাদের নিয়োজিত শ্রমিক আদালতের আদেশ অমান্য করে সেখানে পাইপলাইন, স্থাপনা বা রাস্তা নির্মাণে অংশ নিয়ে থাকে, তাহলে তাদের ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনা জরুরি। কে কাজের অনুমতি দিয়েছে, কার অর্থায়নে কাজ হয়েছে, কোনো কার্যাদেশ বা প্রকল্পের নথি রয়েছে কি না এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অবগত ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে এই অনুসন্ধান। আগামী পর্বে জমির দলিল, আদালতের আদেশ, কথিত নির্মাণকাজের নথি এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে আরও তথ্য তুলে ধরা হবে। এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।



ফেসবুক কর্নার