
বিদ্যুৎ না থাকলেও সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখেননি পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের চিকিৎসকরা। বিদ্যুৎহীন অবস্থায় মোবাইল ফোনের আলো ব্যবহার করে তিন বছর মেয়াদি ইমপ্লান্ট গ্রহণকারী ৩৭ জনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা অপসারণের সেবা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকার মধ্যেও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ সেবা মোবাইলের আলোয় দেওয়ার বিষয়টি স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার দিকটিও সামনে এনেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইমপ্লান্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের নির্ধারিত সময়ে তা অপসারণের প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় চিকিৎসকরা মোবাইল ফোনের আলো ব্যবহার করে ৩৭ জনের ইমপ্লান্ট অপসারণের সেবা সম্পন্ন করেন। তবে একই পদ্ধতি নতুন করে গ্রহণ করতে আগ্রহী দম্পতিদের জন্য পর্যাপ্ত ইমপ্লান্ট সরবরাহ নেই। ফলে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণে আগ্রহী শত শত দম্পতিকে কাঙ্ক্ষিত সেবার আওতায় রাখা যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন পদ্ধতির সরবরাহে ঘাটতি থাকায় অনেক দম্পতি তাঁদের পছন্দের পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারছেন না। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় মোবাইলের আলো ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বিষয়টি উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামোগত সংকটের বিষয়টি সামনে এনেছে। স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির নিয়মিত ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অবকাঠামো দ্রুত উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন।