August 18, 2026, 9:38 pm
শিরোনাম :
মূত্রথলি থেকে অপসারণ ৩ দশমিক ১ কেজির বিশাল পাথর বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল টেলিভিশনের পর এবার বড় পর্দায় আসছে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘নাগিন’ প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে জাতির সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ নুরুল হক নূরের রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ পরিচয়ে মিয়ানমারের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন খুলনায় আবারও যুবকের ওপর হামলা, গুলিবিদ্ধ মামুন ব্যস্ততার মাঝেও এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের ‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী’, কী ইঙ্গিত দিলেন : শাবনূর সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

কলাগাছের ভেলায় ভেসে শতবর্ষী ঐতিহ্য: সিংড়ায় মাছ ধরা উৎসব

অভয়নগর প্রতিবেদক

নাটোরের সিংড়া উপজেলায় গ্রামবাংলার শতবর্ষী ঐতিহ্যকে ধারণ করে ব্যতিক্রমধর্মী কলাগাছের ভেলায় মাছ ধরা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী উপজেলার ৩নং ইটালি ইউনিয়নের শালমারা গ্রামে এ ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আয়োজন করা হয়।
শালমারা দাখিল মাদ্রাসার উন্নয়নকল্পে প্রতি বছরের মতো এবারও ইসলামী জালসা উপলক্ষে গ্রামবাসীর আয়োজনে শালমারা বড় দিঘীতে এ মাছ ধরা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই গ্রামের শত শত মানুষ এ উৎসবে অংশ নেন।
মাছ ধরা উৎসবকে কেন্দ্র করে শালমারা বড় দিঘীর চারপাশে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। এ ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য দর্শনার্থী ভিড় করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শৌখিন মাছ শিকারীরা কলাগাছ দিয়ে তৈরি ভেলায় চড়ে তৈরা জাল ব্যবহার করে মাছ ধরছেন। কেউ কেউ আবার ছোট নৌকায় বসেও মাছ শিকারে মেতে ওঠেন। তাদের জালে ধরা পড়ছে বোয়াল, শোল, রুই, কাতলা, মৃগেলসহ নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। দিঘীর পাড়ে দাঁড়িয়ে শত শত দর্শনার্থী এ দৃশ্য উপভোগ করেন।
শালমারা গ্রামের বাসিন্দা মোতালেব জানান, এ বছর শালমারা দাখিল মাদ্রাসার ৮৩তম ইসলামী জালসা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জালসার একদিন আগেই গ্রামবাসী মাছ ধরার এই আয়োজন করে থাকেন। দীর্ঘ প্রায় ৮৩ বছর ধরে এই ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরা উৎসব গ্রামবাসী ধরে রেখেছেন।
মাছ শিকারী জয়নাল আবেদীন বলেন,গত এক সপ্তাহ আগে থেকেই কলাগাছ কেটে ভেলা তৈরি করে রেখেছিলাম। ইসলামী জালসার আগের দিন মাছ ধরার এই উৎসব আমাদের জন্য বাড়তি আনন্দ বয়ে আনে।
এ আয়োজন গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও আনন্দের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে



ফেসবুক কর্নার