
মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাদক ও চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েমের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা শরিফুলের বিরুদ্ধে। তার সিন্ডিকেটের কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের পথে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে
অভিযোগ রয়েছে মাদকের আখড়া: পিরোজপুর ক্লাবের ভিতরে দুটি রুম দখল করে বীরদর্পে চলছে গাঁজা, হিরোইন ও ইয়াবার ব্যবসা। বিশেষভাবে বহিরাগত ‘ভিআইপি’দের জন্য আলাদা কক্ষ রাখা হয়েছে।সহযোগী সিন্ডিকেট: সরাসরি এই ব্যবসায় জড়িত মাদক ব্যবসায়ী সবুজ, মমিন ও মিজান।প্রশাসনের একাংশের যোগসাজশ: অভিযোগ রয়েছে, ক্যাম্পের দারোগা কমল দাস মাদক স্পট পাহারা দেন এবং অভিযানের আগে তথ্য ফাঁস করে অপরাধীদের পালাতে সাহায্য করেন।
অস্ত্রের মহড়া: অবৈধ পিস্তল উঁচিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো এবং নিয়মিত চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে শরিফুলের বিরুদ্ধে।এক ভুক্তভোগী গ্রামবাসী জানান:”আমরা এখন নিজেদের গ্রামে নিজেদেরই জিম্মি। ক্লাবের ভেতরে রাতভর গান-বাজনা ও মাদকের আসর চলে। প্রতিবাদ করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আমরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ চাই।”বর্তমানে পিরোজপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা দাবি করেছেন, মাদক ও সন্ত্রাসের এই রাজত্ব বন্ধ করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।