April 23, 2026, 10:23 pm
শিরোনাম :
ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ

সুন্দরবনে এবার দস্যু মুক্ত করতে চলছে ৫ বাহিনীর কম্বিং অপারেশন

এস এইচ রতন বাগেরহাট

সুন্দরবনে পুরানো কয়েকটি বনদস্যু বাহিনীকে দমন করতে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে নৌবাহিনী, র‌্যাব, নৌপুলিশ, পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে পাঁচ বাহিনীর যৌথ কম্বিং অপারেশন চলছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই যৌথ অভিযান সুন্দরবন দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে অপহরণের দশ দিন পার হলেও এখনো ২০ জেলেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। মহাজনরা জানান, জিম্মি জেলেদের মুক্তিপণ হিসেবে জনপ্রতি সাড়ে তিন লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে এবং দাবিকৃত টাকা পরিশোধ না করলে জেলেদের ভাগ্যে করুণ পরিণতি হতে পারে।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতের সময় বঙ্গোপসাগরের নারিকেলবাড়িয়া ও আমবাড়িয়া এলাকায় মৎস্য আহরণকালে ২০টি ট্রলার থেকে ২০ জেলেকে অপহরণ করা হয়। এদের মধ্যে হরিদাস বিশ্বাস, গোপাল বিশ্বাস, রমেশ বিশ্বাস, প্রশান্ত বিশ্বাস, শংকর বিশ্বাস, তুষার বিশ্বাস, মনিরুল ইসলাম, উজ্জল বিশ্বাস, কালিদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস, শিবপদ বিশ্বাস, রশিদ সরদার, প্রকাশ বিশ্বাস, ইয়াসিন মোড়ল, শিমুল, রূপকুমার বিশ্বাস, গণেশ বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস রয়েছেন। এদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনি এলাকায়।
গত দেড় বছরে সুন্দরবনে অন্তত ২০টি বনদস্যু বাহিনী গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি তাদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশে কোস্টগার্ড নেতৃত্বে যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে।
সুন্দরবনের দুবলার চরের শুঁটকি পল্লীর মহাজনরা জানান, দস্যুদের কারণে জেলেরা শুধুমাত্র দিনের বেলা মাছ ধরছেন এবং জীবন ঝুঁকিতে ফেলে মাছ আহরণ করছেন। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’ সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ বলেন, মহড়া দিয়ে অভিযান চালানো দস্যু নির্মূল করতে যথেষ্ট নয়; গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়াতে হবে।
দুবলা ফিমারমেন গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে গোপনে ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করলে তা কার্যকর হবে। প্রতিনিয়ত জেলেদের অপহরণ করা হচ্ছে এবং এখনো ২০ থেকে ২২ জন জেলে বন্দি রয়েছেন।
সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, যে কোনো মূল্যে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর জেলে ও বনজীবীদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আপনি চাইলে আমি আগের সুন্দরবন সংক্রান্ত বিষ প্রয়োগ ও অন্যান্য অপরাধমূলক ঘটনার নিউজ গুলোও একইভাবে পত্রিকাভিত্তিক, প্রতিবেদকের নামসহ প্যারাগ্রাফ আকারে সাজিয়ে দিতে পারি। আমি কি তা করি



ফেসবুক কর্নার