April 23, 2026, 9:08 pm
শিরোনাম :
ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ

বিএসটিআই সনদ ছাড়াই খাদ্যপণ্য বাজারজাত? আটোয়ারীর ‘রাফিয়া চিজ পয়েন্ট’ নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

অভয়নগর প্রতিবেদক

 

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের লীলার মেলা বাজারে অবস্থিত ‘রাফিয়া চিজ পয়েন্ট’-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর অনুমোদন ছাড়াই চিজ ও ঘি প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করছে—যা সরাসরি ভোক্তা সুরক্ষা আইনের লঙ্ঘন হতে পারে।
নিজস্ব স্টিকার, নেই মান নিয়ন্ত্রণ চিহ্ন?
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদা প্যাকেটে মোড়ানো চিজে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব স্টিকার লাগিয়ে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। প্যাকেটে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ, উপাদান তালিকা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বাধ্যতামূলক তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কি না—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন ক্রেতারা।
একইভাবে ‘নিজস্ব ব্র্যান্ড’ নামে ঘি বাজারজাতের অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব পণ্যে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনের চিহ্ন রয়েছে কি না—তা স্পষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্য বাজারজাতের ক্ষেত্রে বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক। অনুমোদন ছাড়া বাজারজাত করা হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ভোক্তাদের ঝুঁকি কতটা?
খাদ্যবিশেষজ্ঞদের মতে, দুগ্ধজাত পণ্য যেমন চিজ ও ঘি সঠিক মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়া উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা হলে তা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। মানসম্মত উৎপাদন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও পরীক্ষিত কাঁচামাল ছাড়া এ ধরনের পণ্য বাজারজাত করা হলে ভোক্তারা প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত ক্ষতির মুখেও পড়তে পারেন।
স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বাজারে কম দামে পণ্য সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত বিক্রি বাড়িয়েছে। কিন্তু মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি কেউ যাচাই করছে না।”
মালিকের বক্তব্য মেলেনি
অভিযোগের বিষয়ে ‘রাফিয়া চিজ পয়েন্ট’-এর মালিক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার ব্যাখ্যা এখনো অজানা রয়ে গেছে।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি থাকলে এ ধরনের অভিযোগ ওঠার সুযোগ কমে যেত।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বিএসটিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন সচেতন মহল। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা প্রকাশ পেলে ভোক্তারা নিশ্চিন্তে পণ্য কিনতে পারবেন বলে মত তাদের।



ফেসবুক কর্নার