
নড়াইলে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রনতোষ কুমার সেনের বিরুদ্ধে তদন্তে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুসারে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দিপীকা বিশ্বাস পেশার তথ্য গোপন করে নিজেকে ‘গৃহিণী’ উল্লেখ করে অবৈধভাবে পাসপোর্ট তৈরি করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ভারতে যাতায়াত করেছেন। এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি রনতোষ কুমার সেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শিক্ষিকার অবৈধ পাসপোর্ট এবং বিদেশ যাত্রার প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তদন্তকারী কর্মকর্তা রহস্যজনকভাবে ‘সত্যতা মেলেনি’ মন্তব্য করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের অভিযোগ, রনতোষ কুমার সেন মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ হিসেবে উপস্থাপন করে জেলার প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।
দীপীকা বিশ্বাসের পাসপোর্ট পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত তিনি একাধিকবার ভারতে অবস্থান করেছেন। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে ২০২১ সালে নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ করে ২০২২ ও ২০২৩ সালে আবারও ভারতে গমন করেছেন। এ বিষয়ে রনতোষ কুমার সেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কেবল তার ছুটির বিষয়টি তদন্ত করেছি; পাসপোর্টে পেশা গোপন করে তথ্য দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হয়নি। প্রয়োজন হলে পুনরায় তদন্ত করা হবে।”