April 23, 2026, 7:08 pm
শিরোনাম :
ধামইরহাটে পুলিশের অভিযানে ৬৫০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার ও ধ্বংস কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত শান্তিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন, সপ্তাহজুড়ে সচেতনতা কর্মসূচি তীব্র গরমে অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন মাহমুদ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে এগিয়ে চলা তাপস্বীর পাশে জেলা পরিষদ বাগমারায় ৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ গৃহবধূ, উৎকণ্ঠায় পরিবার শিবগঞ্জে টানা চুরির ঘটনায় আতঙ্ক, চার দিনে ১৩ বাড়িতে সিঁধ কাটা মান্দায় জমি বিরোধে সাত বিঘার বোরো ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষ মামলায় এনায়েতনগর যুবদলের তিন নেতা জামিনে মুক্তির পথে সিংগাইরে নারীর মরদেহ উদ্ধার, রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্তের অপেক্ষায় পুলিশ

কুমিল্লায় বাস-ট্রেন দুর্ঘটনা  নিহতদের পরিচয় মিলেছে

অভয়নগর প্রতিবেদক

কুমিল্লায় পদুয়ার বাজারে বাস-ট্রেন সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

রোববার (২২ মার্চ) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (কুমেক) হিমঘর সূত্রে তাদের পরিচয় জানা গেছে।

নিহতরা হলেন— যশোর জেলার পিন্টু ইসলামের স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬), দুই মেয়ে খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৩), চাঁদপুর জেলার চাপাতলি এলাকার মমিনুল হকের পুত্র তাজুল ইসলাম (৬৭), ঝিনাইদাহ জেলার মোক্তার বিশ্বাসের ছেলে জুহাদ বিশ্বাস (২৪), যশোর জেলার চৌগাছার স্বামী সিরাজুল ইসলাম (৭০) ও কোহিনূর বেগম (৫৫), নোয়াখালী সোনাইমুড়ির বাবুল চৌধুরী (৫৫), মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬), চুয়াডাঙ্গার জীবন নগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (২৫), নোয়াখালী জেলার ফাজিলপুরের মো. সেলিমের পুত্র নজরুল ইসলাম রায়হান (৪৫), লক্ষ্মীপুর জেলার সদরের সিরাজুল ইসলামের কন্যা সাঈদা (৯)।

কুমেক কর্তৃপক্ষ জানায়, যাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয় এরা সবাই হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ৬ পুরুষ, ৩ মহিলা ও ৩ শিশু রয়েছে। শিশুদের একজনের বয়স ১৪ বছর। এছাড়া গুরুতর জখম অবস্থায় ২৪ জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। তাদের ১৮ জনকে ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা নিজ দায়িত্বে তাদের নিয়ে গেছেন।

বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ আহত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তারা হলেন— নোয়াখালীর মো. এয়াছিনের ছেলে তাকবির (২৮), ঝিনাইদহের ইউসুফ মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (৬৫), চাঁদপুরের ফজর মোল্লার ছেলে মাহফুজ (২৮), সুনামগঞ্জের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রাকিব (২০), নরসিংদীর আফসার উদ্দিনের ছেলে ইকবাল হোসেন (৫৮) ও নেত্রকোনার সারোয়ার উদ্দিনের ছেলে সহিদুল ইসলাম (৫০)।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. শাহজাহান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. ইদ্রিস জানান, ফায়ার সার্ভিসের টিম পৌঁছানোর পর ৩টি মরদেহ দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে কুমেকে পাঠানো হয়। এর মধ্যে দুই পুরুষ ও এক মহিলা ছিলেন। এই তিনজনের আগে স্থানীয়রা আরও ৪টি মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এই ৭ জন দুর্ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকিদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে হয়তো মৃত্যু হয়েছে। সবমিলে ১২ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে, শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ওয়ান আপ ট্রেন কুমিল্লা নগরীর পদুয়ার বাজার রেল ক্রসিং এলাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী মামুন স্পেশাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় বাসটিকে টেনে আধ কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেনটি। খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ট্রেনের যাত্রী ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রেলগেইটের সিগন্যাল ম্যানের অবহেলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে



ফেসবুক কর্নার