
সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২০২৬ — ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাসের ভিত্তিতে সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে, যা মুসলিম বিশ্বে পরিকল্পনা ও প্রস্তুতিতে গতি এনেছে।
জ্যোতির্বিদদের মতে, ২৬ মে ২০২৬ হতে পারে আরাফাতের দিন এবং পরদিন ২৭ মে থেকে ২৯ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহার মূল অনুষ্ঠান পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন এবং ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশ একই সময়ে ঈদ উদযাপন করতে পারে।
ঈদুল আজহার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হজ পালনেও প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। বিশ্বের লাখো মুসল্লি মক্কায় সমবেত হয়ে হজের গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে আরাফাত ময়দানে অবস্থান, মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ এবং কোরবানির মাধ্যমে ঈদের মূল তাৎপর্য পালন।
ঈদুল আজহার অন্যতম প্রধান অংশ হলো কোরবানি। ইসলামের বিধান অনুযায়ী, সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য কোরবানি করা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পশুর মাংস বণ্টনের মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় গবাদিপশুর বাজারে ব্যাপক বেচাকেনা হয়, যা গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে ঈদুল আজহা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং আত্মত্যাগ, আনুগত্য ও সামাজিক সংহতির এক অনন্য প্রতীক। এখন সবাই চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে, যার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে এবারের ঈদের চূড়ান্ত দিনক্ষণ।