
পঞ্চগড় সদর উপজেলার নলকুড়া করতোয়া নদী ও ১নং অমরখানা তালমা নদীসহ বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শ্রমিকবিহীন পাওয়ার ট্রলি ও মহেন্দ্র ব্যবহার করে ভিন্ন কৌশলে এসব উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মেশিনের মাধ্যমে নদীর গভীর অংশে গর্ত করে বালু-পাথর তোলা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কোথাও গভীর খাদ তৈরি হচ্ছে, আবার কোথাও বালুর চর গড়ে উঠছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি একাধিকবার পঞ্চগড় ভূমি অফিসকে অবগত করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং দিন দিন এসব অবৈধ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
তাদের আশঙ্কা, এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যাবে এবং কৃষকদের ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। পাশাপাশি নদীতে সৃষ্ট গভীর গর্তে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, কিছুদিন আগে বোদা উপজেলার করতোয়া নদীর একটি গর্তে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একাধিকবার ভিডিওচিত্রসহ অভিযোগ পাঠানো হলেও কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে পরিবেশ ও জননিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।