June 24, 2026, 9:11 am
শিরোনাম :
নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যা: নয় মাস পর ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত, দুই আসামি গ্রেপ্তার হরমুজে আটকা ১১ হাজারের বেশি নাবিককে উদ্ধার করবে জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মেধা ও যোগ্যতার কঠিন পরীক্ষায় নওগাঁয় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত হ্যাটট্রিকের আশায় রোনালদো, বড় লিড নিয়ে বিরতিতে পর্তুগাল আ. লীগের পরিকল্পনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নস্যাৎ করে দিয়েছে : ডিএমপি কমিশনার একযোগে ১৬ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র নোয়াখালীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: ৫ লাখ ৭৬ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস্তুতি মৃত্যুই আমাদের সবার শেষ গন্তব্য: পিয়া জান্নাতুল জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল, সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড

কড়াইলে বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট পরিবেশ ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে তরুণদের বিক্ষোভ

সাদমান হাসান স্টাফ রিপোর্টার

বিশ্বব্যাপী পালিত বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘটের অংশ হিসেবে রাজধানীর কড়াইল এলাকায় পরিবেশ ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন সংগঠনের তরুণ জলবায়ু কর্মীরা। শুক্রবার (৮ মে) গুলশান-বনানী লেকসংলগ্ন রিওয়েট প্রজেক্ট এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেয় প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন, সেইভ ফিউচার বাংলাদেশ, আমরাই আগামী, সিডার ইনিশিয়েটিভ, ইয়ুথ ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ ও হেল্প দ্যা নেশন।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে রাজধানীর কড়াইলসহ বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক বসতিতে আশ্রয় নিয়েছে হাজারো মানুষ। কিন্তু সেখানে এখনো নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা মানুষগুলো প্রতিনিয়ত মানবেতর জীবনযাপন করছে।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, গুলশান-বনানী লেক দূষণের উৎস দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত থাকলেও তা রোধে কার্যকর ও বিজ্ঞানভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং লেক পরিষ্কারের নামে স্থানীয় পরিবেশবান্ধব সবুজায়ন ও নগর কৃষি উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সম্প্রতি রিওয়েট প্রকল্প এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সবজি ক্ষেত ও বাগানের গাছপালা মাটিচাপা দেওয়ার ঘটনাও তারা তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, নদীভাঙন ও বন্যার প্রকোপ বাড়ার পাশাপাশি বায়ু ও পানি দূষণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, “রিনিউয়েবল এনার্জিই ভবিষ্যৎ। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরকারকে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।”
সেইভ ফিউচার বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক নয়ন সরকার বলেন, “উন্নয়নের নামে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস বন্ধ করতে হবে। কড়াইলবাসীর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি গুলশান-বনানী লেক রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।”
সিডার ইনিশিয়েটিভের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শরাফত করিম বলেন, “বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি রোডম্যাপ প্রণয়ন প্রয়োজন।”
কর্মসূচি থেকে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, জলবায়ু শরণার্থীদের পুনর্বাসন, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং বন, নদী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ।



ফেসবুক কর্নার