
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াবেকি এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে ভয়াবহ সব অন্যায়ের নজীর গড়ছেন স্থানীয় বিএনপির সার্চ কমিটির সদস্য ও নওয়াবেকি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান মিঠু।
সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, নওয়াবেকী হাট বাজারের ইজারা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বাজার কমিটির সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান মনির কাছে, দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছে আসাদুজ্জামান মিঠু। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় মনিরুজ্জামান মনিকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ও উঠেছে বিতর্কিত এই নেতার বিরুদ্ধে।
এছাড়াও “ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে কৌশলে প্রায় ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই চাঁদাবাজ নেতা মিঠু। চাঁদার অর্থ দাবির পাশাপাশি বিষয়টি গোপন রাখতে ভয়ভীতি ও হুমকিও দিয়েছে এই বিতর্কিত নেতা আসাদুজ্জামান মিঠু।”
গত ৫ আগস্টের পর থেকে সাধারণ জনতার ওপর অত্যাচারসহ বিভিন্ন অপতৎপরতা চালিয়ে কোটিপতি বনে গেছেন আসাদুজ্জামান মিঠু, বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে আসাদুজ্জামান মিঠুর কর্মকান্ড নিয়ে বর্তমানে রীতিমতো আতঙ্কে আছে এলাকার সাধারণ জনগণ, আর এতে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে রয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। অসংখ্য ভুক্তভোগী, প্রত্যক্ষদর্শী,ও বিএনপি’র দায়িত্বশীল নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটা আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে নিজেকে শেখ পরিবারের আত্মীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিতর্কিত এমপি জগলুল হায়দারের ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে সাধারণ জনগণের ওপর নির্যাতন চালাতেন বিতর্কিত বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মিঠু। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, বর্তমানে বিএনপি’র মতো সুনামধন্য দলের নাম ভাঙিয়ে তিনি আবারও অপকর্মের সাহস পাচ্ছেন, এবং স্বনামধন্য এই দলকে বারবার করে তুলছে প্রশ্নবিদ্ধ। এই সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি কিভাবে স্থানীয় বিএনপি’র সার্চ কমিটির সদস্য হলেন এবং কোন খুঁটির জোরে এতসব অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান মিঠুর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওটা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। একটি মহল রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয়ও করার জন্য এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মিঠুর দেওয়া বিতর্কিত বক্তব্যে ও ভুক্তভোগী ও সাধারণ জনগণের দেওয়া ভিডিও বক্তব্য অফিসের বার্তা কক্ষে সংরক্ষিত।