শেষ ৩২-এর ম্যাচ খেলতে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন লিওনেল মেসিসহ গোটা আর্জেন্টিনা দল। মায়ামি এয়ারপোর্টে তল্লাশি করা হয় আলবিসেলেস্তেদের। একটি ফুটেজে দেখা যায়, বিমান থেকে নামার পরই তাদের লাগেজ খুলে দেখা হয় সবকিছু। এরপর একটি চেয়ারে বসিয়ে সম্পূর্ণ শরীর তল্লাশি করা হয় মেসির।
বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগে থেকেই স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা মুখর ছিল ফুটবল বিশ্ব। ইরানকে দেশটিতে থাকতে অনুমতি না দেয়া, আফ্রিকার দেশগুলোর ফুটবলারদের অতিমাত্রায় তল্লাশি। এমনকি রেফারিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে না দেয়াসহ নানা ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে আয়োজক দেশের নিরপেক্ষতা নিয়ে। এবার এমনই এক কার্যক্রমের সম্মুখীন হলো লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা দল।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ব্যাজক্যাম্প করেছে কানসাসে। সেখান থেকে গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো খেলে থাকে। শেষ ৩২-এর ম্যাচ খেলতে মায়ামিতে একদিন আগে গিয়ে পৌঁছেছে আলবিসেলেস্তেরা। সেখানে এসেই পড়তে হয়েছে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। এয়ারপোর্টে ঘটে যাওয়া ঘটনা এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল।
মায়ামি এয়ারপোর্টে মেসিদের বিমান নামার পর সেখানেই কড়া তল্লাশি করা হয় গোটা দলকে, অনেকটা অপরাধীর মতোই। বিমান থেকে নেমেই সিকিউরিটি কার্যক্রমে অংশ নিতে হয় তাদের। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মেটাল ডিটেকটর দিয়ে মেসির গোটা শরীর চেক করা হয়। এরপর তার সতীর্থদের তল্লাশি কার্যক্রম দেখে হাসতে থাকেন ৮টি ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। পরবর্তীতে এলএম টেনের লাগেজ খুলেও তল্লাশি করেন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা। মেসি অবশ্য তাদের কাজে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেন।
এমন কার্যক্রমের ভিডিও নেট দুনিয়ায় আসার পর তা ভাইরাল হয়। সমর্থকরা এর কড়া সমালোচনা করেন। সাধারণ যাত্রীদের মতো বিশ্বসেরা ফুটবলারকে তল্লাশি করার ঘটনা অনেকের ধারণা এবারই প্রথম। তাছাড়া আয়োজক দেশ হিসেবে ফুটবলারদের উপর বাড়তি কড়াকড়ি জন্ম দিয়েছে প্রশ্নের। আফ্রিকা কিংবা ইরানের সঙ্গে যা করা হয়েছে এমন পরিস্থিতর সামনে পড়তে হলো মেসিদেরও। ফিফা বিষয়গুলো ঠিকঠাক দেখছে কিনা সে ব্যাপারেও প্রশ্ন উঠছে।