July 25, 2026, 9:37 pm

পদ্মার ভাঙনে ৫০০ বিঘা জমি বিলীন, ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

তানভির আজাদ স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের কোলদিয়াড় গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙন চরম আকার ধারণ করেছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ইতোমধ্যে অন্তত ৫০০ বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীভাঙনের তীব্রতা এতটাই প্রকট যে, আর মাত্র আধা কিলোমিটার এগোলেই দুটি ওয়ার্ড সম্পূর্ণ নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি মসজিদসহ বহু স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য। এ সময় তাঁর সঙ্গে দৌলতপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, থানা যুবদলের আহ্বায়ক, থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য সাংবাদিকদের জানান, অতীতে ভাঙন রোধে বিভিন্ন তদবিরের মাধ্যমে সরকার থেকে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বর্তমান ভাঙনের ব্যাপকতা বিবেচনায় ওই অর্থ দিয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক কাজ সম্ভব নয়। তিনি বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দুটি ওয়ার্ড ও কয়েকটি মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইতোমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন। দ্রুত একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ অথবা জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না করা হলে তাদের বসতভিটা, আবাদি জমি ও জীবিকার শেষ সম্বলও পদ্মা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। তাই তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।



ফেসবুক কর্নার