March 8, 2026, 5:37 am

বিধবা বোনকে কুপ্রস্তাবের প্রতিবাদে করায় যবুকে হত্যা, আটক ২

Reporter Name

 
যশোর প্রতিনিধি 

যশোর সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের পাগলাদাহ গ্রামে বিধবা বোনকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার প্রতিবাদ করায় রিকশাচালক শহিদকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন—পাগলাদাহ গ্রামের মানিক জমাদ্দারের ছেলে ইয়াসিন হোসেন ওরফে ইরান এবং আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে রিয়াজ হোসেন। শনিবার মধ্যরাতে চৌগাছা উপজেলার কালিয়া কুন্ডু গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত শহিদের বাবা বশির আহম্মেদ কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মোট সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পলাতক আসামিরা হলেন—জাহাঙ্গিরের ছেলে মিরাজ, তার ভাই আলিফ, পিয়াস, একই গ্রামের আমিনুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আসামি মিরাজ নিহত শহিদের বিধবা বোন শাহিদা বেগমের প্রতি কুনজর দিয়ে আসছিল এবং প্রায়ই অশালীন মন্তব্য করত। বিষয়টি জানতে পেরে শহিদ প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং শত্রুতা বাড়তে থাকে।

এজাহারে আরও বলা হয়, শাহিদা বেগম একটি ইজিবাইক কিনলে সেটি ভাড়ায় নেওয়ার জন্য মিরাজ তার কাছে আসে। পূর্বের কুপ্রস্তাব ও খারাপ আচরণের কারণে শাহিদা তাকে ইজিবাইক ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানান। ভাড়া না দেওয়া ও কুপ্রস্তাবের প্রতিবাদই শহিদ হত্যার মূল কারণ বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার দিন শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাগলাদাহ এলাকার সোহাগীর বাড়ির সামনে ‘রহমানের দোকানের মোড়’ এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে একই গ্রামের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে শহিদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শহিদের বাবা বশির আহম্মেদ তাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শহিদকে মৃত ঘোষণা করেন



ফেসবুক কর্নার