
আজ ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। ক্ষুধা, অপুষ্টি ও খাদ্যবৈষম্য দূর করে সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। খাদ্যসংকট মোকাবিলা, কৃষির উন্নয়ন এবং খাদ্যের সুষম বণ্টনের গুরুত্ব তুলে ধরাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, বন্যা, খরা, কৃষি উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্য ওঠানামা খাদ্যনিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। শুধু উৎপাদন বাড়ালেই ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব নয়; খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখা, পুষ্টিকর খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং খাদ্যের অপচয় কমানোও জরুরি। এসব পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকেরা।
ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত বীজ ও সেচব্যবস্থার প্রসার, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি এবং কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি খাদ্য অপচয় রোধ, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার, কৃষক, ব্যবসায়ী, উন্নয়ন সংস্থা ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করাই হোক বিশ্ব খাদ্য দিবসের অঙ্গীকার।