March 6, 2026, 4:43 am
শিরোনাম :
মাগুরায় আওয়ামীলীগ কার্যালয় সামনে পতাকা উত্তোলন আগুন ও ভাংচুর, আটক ৩ কুড়িগ্রামে নয় বছর ধরে ভাঙা ব্রিজ, যাতায়াতে আতঙ্কে ২০ হাজার মানুষ সরিষাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৪ মাদকসেবী গ্রেফতার রমজানকে ঘিরে বাজার তদারকি জোরদার: রামপালে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা জয়ের ফাঁস করা তালিকায় শীর্ষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫ নায়িকা আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ট্রাম্পের আনোয়ারায় গ্যাস সংকটে দুই সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ একযোগে রাশিয়ার ৪ যুদ্ধজাহাজে ভয়াবহ হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ৫ দিন ধরে ইন্টারনেট নেই ইরানে কালিগঞ্জে অবৈধ ২ টি ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা

মোস্তাফিজুর রহমান অ্যাপেল কোটচাঁদপুর ঝিনাইদা প্রতিনিধি

কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা
মোস্তাফিজুর রহমান আপেল, কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা দুই বছর পরও নির্মিত নতুন ভবন চালু না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৩ সালে ২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যার হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পাঁচ তলা নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। বাস্তবে হাসপাতালের কার্যক্রম সীমিত এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের ভোগান্তি আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন মাত্র ২ জন চিকিৎসক, যেখানে পদ রয়েছে ১৯। প্রায় প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৭০০–৮০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এবং ৭০–৮০ জন ভর্তি থাকেন। হাসপাতালের বেহাল অবস্থা, ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, অপরিষ্কার ও দুর্গন্ধপূর্ণ ওয়ার্ড, মশা-মাছির উপদ্রব এবং চোর আতঙ্ক রোগী ও স্বজনদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ।
হাসপাতালের পরিচালনায় উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) প্রধান ভূমিকা পালন করছেন। তবে সেকমোদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের দূর্বল অবস্থার সুযোগ নিয়ে বাড়ি বা বিভিন্ন ক্লিনিকে পাঠিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। হাসপাতালের শিশু ও অন্যান্য ওয়ার্ডে রোগীর চরম ভিড় এবং শয্যা সংকট দেখা যায়, অথচ ১০০ শয্যার নতুন ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। খাদ্যের মান ও বাথরুম ব্যবহারের অযোগ্যতার অভিযোগও রয়েছে।
কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমানুল্লাহ আল মামুন জানান, বর্তমানে ১৯ জন মেডিকেল অফিসারের পদ থাকলেও কার্যক্রম চালাচ্ছেন মাত্র ৫ জন। নতুন ভবন চালু করতে প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রয়োজন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে রোগীদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।



ফেসবুক কর্নার