
শাহিন বিশ্বাস:
দেশের বাজারে চিনির দাম কেজিতে ১৬০ টাকা থেকে কমে এসেছে ৯০–৯৪ টাকায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, চিনি দিয়ে তৈরি কোনো পণ্যের দাম এক পয়সাও কমেনি। ফলে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাজারের বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা যায়—১ কেজি চমচম বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়, জিলাপি ১৫০ টাকায়, গজা ১৬০ টাকায়, ছানার জিলাপি প্রতি পিস ২০ টাকায়, দই ১ কেজি ১৮০ টাকায় এবং বোঁন্দি ২০০ টাকায়। পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মোড়ের ভাগ্যকুল মিষ্টান্ন ভান্ডারে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য দোকানের তুলনায় সব ধরনের মিষ্টি প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, “চিনির দাম প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, কিন্তু মিষ্টি, বিস্কুট, কোমল পানীয়সহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম আগের মতোই রয়ে গেছে। চিনি সস্তা হলেও আমরা এর সুফল পাচ্ছি না।”
তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বাজারে কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং চিনি মূল্যহ্রাসের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন।