March 6, 2026, 8:06 pm
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের ঐক্য ও সম্প্রীতিতে বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বিজয়নগরে গরু-মহিষ চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় খামারিরা আতঙ্কিত কাজিপুরে ভুট্টাক্ষেতে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ইবি শিক্ষিকা হত্যা: প্রধান আসামি ফজলুর রহমান গ্রেফতার, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন নীলফামারীতে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্পে তরুণদের ব্যাপক সাড়া শ্রীমঙ্গল পুলিশের অভিযানে পানি পাম্প ও চোরাই রাবারসহ ৬ জন আটক কুষ্টিয়ায় সরকারি খাস পুকুর থেকে মাটি অবৈধ কেটে বিক্রির ঘটনায় অভিযান ও কারাদণ্ড ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে উত্তেজনা: মজনু রহমান ননীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ শেরপুরে তিন তেলের পাম্পে মোবাইল কোর্ট অভিযান, মহাস্থানে আবাসিক বোর্ডিংয়ে পুলিশের অভিযান: নারী ও খদ্দেরসহ আটক ৩

এবার আ’লীগ নেতাকে আ*টক করে ছেড়ে দিলো থানা পুলিশ 

অভয়নগর প্রতিবেদক

রাজশাহী ব্যুরো: ঘুষ বানিজ্যের পর এবার আ’লীগ নেতাকে আটকের পর মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ শেষে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গোদাগাড়ী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
রোববার (৪ জানুয়ারী) গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে আটক করেন থানা পুলিশ। আটক মোহাম্মদ আলী (৭০) বাসুদেবপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাটা গ্রামের ইসাহাক মহাজনের ছেলে।  এএসআই সেলিম আটকের বিষয়ে স্বীকার করেন। তিনি বলেন ওসি’র নির্দেশ আ’লীগ নেতা মোহাম্মদ আলীকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আ’লীগ নেতা মোহাম্মদ আলীকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে সমালোচনার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী বলছেন থানা যেনো আটক “বানিজ্য কেন্দ্রে” পরিনত হয়েছে। সাধারণ মানুষকে আ’লীগ নেতা ট্যাগ লাগিয়ে অর্থ দাবি, আবার অন্যদিকে প্রকৃত আ’লীগ নেতা ছেড়ে দেওয়া নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন। আ’লীগ নেতাকে রোববার সন্ধ্যায় আটক করে রাত ১২ টায় ছেড়ে দেওয়ায় মোটা অংকের লেনদেন হয়েছে বলেও অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। এ বিষয়ে বিএনপির নেতারা লিখিত অভিযোগ দাখিল করবেন বলেও নিশ্চিত করেন।
এলাকাবাসী আরও বলেন, মোহাম্মদ আলী আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকায় বিভাজন সৃষ্টি করে মানুষের মাঝে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে রাখতো।পরে ঐ মোহাম্মদ আলী নিজেই আবার সমাধান করে অর্থ আদায় করতো।তার ভয়ে ২০১৮ এর নির্বাচনে সাধারণ জনগণ ভোট দিতে পারতো।ভিন্নমতের লোকেরা তার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকতো।
অপরদিকে একই থানার এএসআই ফজলুর ঘুষ বানিজ্যের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ফজলুর ঘুষ বানিজ্যের ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও ভাবে প্রকাশ হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, থানায় সেবার পরিবর্তে আটক বানিজ্য ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মাসোহারা উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এলাকায় দিন দিন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিষয়টি জানতে গোদাগাড়ী থানার ওসি হাসান বাশিরকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে থানায় গেলেও তিনি থানায় ছিলেন না। মুঠো ফোনে ক্ষুদে বার্তা দিলেও তিনি রিপ্লে করেননি। এ কারণে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রাজশাহী জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আ’লীগ নেতাকে আটক করা হয়েছিলো এটা সঠিক। বয়স বিবেচনায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই ব্যক্তির বয়য় ৭৫ + হবে। টাকা গ্রহণের বিষয়টি সঠিক নয়। তবুও যদি ভুক্তভোগী কেউ অভিযোগ দেয় তাহলে যথাযথ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার