
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলুর ছেলে এবং নিহত আলমগীর হোসেনের জামাই বাসেদ আলী পরশ ও একই এলাকার মৃত মতিন দারোগার ছেলে আসাবুল ইসলাম সাগর।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাসেদ আলী পরশের সঙ্গে নিহত আলমগীর হোসেনের দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ ছিল। পরশের স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি হলে একপর্যায়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পরে সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা হলেও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত ছিল। প্রায় এক মাস আগে পরশের স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে গেলে পরশ বিভিন্নভাবে আলমগীর হোসেনকে হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, আসাবুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি নিহতের বড় ভাই জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়িতে হামলা চালান। জাহাঙ্গীর হোসেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ওই সময় আলমগীর হোসেন বাধা দিলে সাগর তার ওপর ক্ষুব্ধ হন। এরপর থেকে তিনি আলমগীর হোসেনকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতে থাকেন, এমনকি ফেসবুক মেসেঞ্জারেও হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরের যোগসাজশে ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য আটক দুই আসামির রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের প্রত্যেককে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন