April 27, 2026, 2:56 pm
শিরোনাম :
লামায় মৌচাক ক্রেডিট ইউনিয়নের সিইউডিসিসি কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও সেলাই মেশিন বিতরণ স্বামীকে ‘সাইজ’ করতে মিথ্যা মামলা করলে সরকার পাশে থাকবে না: আইনমন্ত্রী লেন্স যখন শিকারি: মোবাইল সাংবাদিকতা নাকি ডিজিটাল লিঞ্চিং? তৈরি পোশাক খাতে বাড়ছে সংকট, টিকে থাকতে নীতি সহায়তার জোর দাবি দিনাজপুরে কৃষি প্রণোদনায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে মুগডাল বীজ ও সার বিতরণ ভাষানী মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের সংবর্ধনা ও প্রতিনিধি সভা গোয়াইনঘাটে উন্নয়ন কাজে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ঠিকাদার আব্দুস সালাম মোর্শেদ বিরুদ্ধে নেত্রকোনা রাস্তা দখল ও বেহাল অবস্থায় বিপাকে কৃষক, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষে আহত ৬, এলাকায় উত্তেজনা মৌলভীবাজারে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত -০১ আহত অর্ধ -শতাধিক  

অভয়নগর প্রতিবেদক
Oplus_16908288

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় ধরমন্ডল ইউনিয়নের পূর্ব পাড়ার ছাতিকামলা পাড়ে বিয়ে বাড়ীতে দাওয়াত খেয়ে বাড়ী ফেরার পথে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে রমজান মিয়ার সমর্থিত লোকের উপর জিতু মিয়ার লোকজন হামলা চালায় এতে করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত -১ অর্ধশতাধিক আহত হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ধরমন্ডল ইউনিয়নের পুর্ব গ্রামের ছাতিকামলা পাড় এলাকা প্রভাবশালী দুই পক্ষ—রমজান ও জিতু মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।
সোমবার ১২ জানুয়ারী বিকালে বিয়ে বাড়ীতে দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে নারী-পুরুষ সহ অর্ধশতাধিক আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে মাধবপুর ও হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। গুরুতর আহত জিতু মিয়া (৬৫)কে হবিগঞ্জ হাসপাতালে নেয়ার পথের মধ্যে মৃত্যু ঘটে।
খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। তবে সংঘর্ষের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা ও বিপুল সংখ্যক দাঙ্গাকারীর সামনে পুলিশ হিমশিম খায় এবং এক পর্যায়ে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে গেলে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের অনুরোধে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থান গ্রহণ করলে সংঘর্ষকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। বর্তমানে এলাকায় সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
নাসিরনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ শাহিনুল ইসলাম বলেন এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে এবং দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



ফেসবুক কর্নার