April 29, 2026, 4:24 am
শিরোনাম :
মানবিক সেবায় যুবদের এগিয়ে আসার আহ্বান: বিডিআরসিএস নারায়ণগঞ্জ ইউনিটের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আলীকদমে মাদকবিরোধী অভিযানে পপি বীজ ও খোসাসহ আটক ১ নারায়ণগঞ্জে রামচন্দ্রী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন জগন্নাথপুর প্রেস ক্লাবের সঙ্গে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় অভিযানে ৭০ বোতল ফেনসিডিল সদৃশ সিরাপ উদ্ধার, আটক ১ চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে শিশুকে বাঁচাতে বাবার ঝাঁপ, অল্পের জন্য রক্ষা পিতা-পুত্র কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, মোমবাতির আলোয় চাঁদপুরে এসএসসি পরীক্ষা ভিডিও বিতর্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পীরকে ঘিরে তোলপাড়, প্রতারণা না অপহরণ—জটিলতায় তদন্ত দাবি অকাল বৃষ্টিতে নেত্রকোনার হাওরে ধান কাটায় বিপর্যয় মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপে জনদুর্ভোগ, দেবিদ্বারে তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

শিবগঞ্জে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ সানাউল্লাহ সুমন

অভয়নগর প্রতিবেদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটি হলো মেসার্স সফিকুল ইসলাম।
সরেজমিনে বৃহস্পতিবার পরিদর্শনে দেখা যায়, শিবগঞ্জ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন শাহবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর–হামিদনগর আঞ্চলিক সড়কে প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কে পিচ-কার্পেটিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি চার লাখ ২২ হাজার ৬২১ টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণ কাজে উন্নতমানের এক নম্বর ইট ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেখানে দুই ও তিন নম্বর মানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবহৃত বালুও নিম্নমানের বলে অভিযোগ করেন তারা। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহার করা হলে সড়কটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, সংশ্লিষ্ট উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী এখনো নির্মাণাধীন সড়কটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেননি। তাদের দাবি, নিয়মিত তদারকি থাকলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এভাবে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার সাহস পেত না। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ওয়াহাবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “দূর থেকে ফোনে কোনো সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলব না। ঘটনাস্থলে এসে প্রমাণ করুন আমি অনিয়ম করছি বা নিম্নমানের ইট-বালু ব্যবহার করছি। ফোনে এসব কথা বলার প্রয়োজন নেই।”
অন্যদিকে, এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে বন্ধ করে দেন। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদারকির অভাবেই সরকারি অর্থে বাস্তবায়নাধীন এ ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত ও মানসম্মত কাজ নিশ্চিত না হলে সরকারের উন্নয়ন উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।



ফেসবুক কর্নার