যে মানুষটি সরকারি চাকরি করে গরিব অসহায়, দুঃস্থ মেহনতি মানুষের জন্য সেবা করে এলাকার বিএনপির রাজনীতিকে সবার উপরে রেখেছিলেন। সেই দল, রাজনীতির কারণে সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে মানুষ সেবার ব্রত নিয়ে দলের জন্য জীবন উৎসর্গের পুরস্কার বহিষ্কার। তাই দল তাকে মূল্যায়ন না করলেও আমরা গরিব, অসহায়, দুঃস্থ,ল মেহনতি মানুষ তাকে ভুলে নাই। তাই ডাঃ শহিদুল আলমকে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। ফুটবল প্রতীক ডাঃ শহিদুল আলমের না এটা মেহনতি মানুষের ভালোবাসা, হৃদয়ের প্রতীক। আগামী নির্বাচনে ফুটবল প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় মুকুট ডাঃ শহিদুল আলমের মাথায় পরাবো ইনশাল্লাহ। সেই লক্ষ্যে দলমতের উর্ধ্বে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলে আমরা মাঠে নেমেছি ফুটবলকে বিজয়ী করার জন্য। বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার, বাদ দিলেও জনগণের দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়নি। আমাদের মাঝে গরিবের মুকুট পরেই তিনি ফুটবলের রাজা হয়ে রাজ্য জয় করে থাকবেন। আমরা ফুটবলের জন্য মাঠে নামেনি, আমরা একজন অসহায় জনগণের সেবককে এবং দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য মাঠে ফুটবলের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি এটা কারোর দলের প্রতীক না। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আসাশুনি) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকে ভোট চেয়ে জনসভায় ডাঃ শহিদুল আলম বলেন আমি আপনাদের মাঝে রাজা, বাদশা হয়ে থাকতে চাই না, আমি আপনাদের মনের কোঠায় সেই গরিবের ডাক্তার, সেবক হয়ে থাকতে চাই। এভাবে যেন সারাটা জীবন এই ভালোবাসার মানুষ গুলোকে সেবা দিয়ে কাছে পেতে পারি। আপনারাই আমার সব, আপনারাই আমার ভালোবাসা প্রাণ। জয় পরাজয় বড় কথা নয় আপনাদের ভালোবাসায় আমার বিজয়ের মালা। আমি রাজা, বাদশা, এমপি, যাই হই না কেন আপনারা আমার কাছে আগে যেমন ছিলেন, এখনো তেমন থাকবেন ।আমি আপনাদের কাছে সেই গরিবের ডাক্তার খেতাব নিয়ে সেবক হয়ে এবং সেবা দিয়ে থাকতে পারি সেই জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আমি এই নির্বাচনী মাঠে এসেছি তাই এই জনগণই আমার দল, জনগণ এই আমার শক্তি, প্রতীক এখানে আমার নতুন করে কিছু চাওয়া পাওয়ার নাই। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে আমার কাছে যেতে কোন দরজা পেরুতে হবে না। আমার দরজা আপনাদের জন্য আগে যেমন খোলা ছিল সারাটা জীবন এমনি খোলা থাকবে আর খোলা রাখতে পারি সেই দোয়া করবেন। আমি জানি এই নির্বাচন করার মতন আমার টাকা কড়ি সামর্থ্য না থাকলেও জনগণই সকল সকল সমর্থ্য শক্তি আপনারা আমার অনুপ্রেরণা। আমার ভোট কেনার টাকা না থাকলেও হৃদয় কেনার ক্ষমতা আপনাদের আছে। তাই আপনারাই আমার ভোটব্যাঙ্ক, আপনারাই আমার টাকার ব্যাংক। বক্তারা জেলা বিএনপির আহবায়কের উদ্দেশ্য করে বলেন আপনারা ১৭ জন বিএনপি নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছেন। আর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণ ফুটবল প্রতিকে ভোট দিয়ে আপনাদের ট্রাম কার্ড দেখিয়ে বহিষ্কার করবেন। কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বাসির উদ্দেশ্যে বলেন এখানে কোন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি চলবে না। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যদি কোন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি হয় তাহলে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে। একটি দল ধর্মকে পুঁজি করে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। আপনারা এই সমস্ত কথায় বিভ্রান্তি না হয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে যেয়ে জনগণের প্রতিকে( ফুটবল) ভোট দিয়ে জনগণকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪ টায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর কৃষান মজদুর ইউনাইটেড স্কুল মাঠে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় সাতক্ষীরা-৩ আসনের ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম সহ উপস্থিত বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। বিশাল জনসভায় বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান গাইনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গরিবের বন্ধু খ্যাত ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাঃ শহিদুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান, নলতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শেখ দিদারুল ইসলাম, সাবেক বিএনপি নেতা আলহাজ্ব আজিজ আহমেদ পটু ,সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বাবুল খান, কুশলিয়া ইউনিয়নের সাবেক-বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবীর ডাব্লু, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ,আব্দুর রশিদ, ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম আকুল, গোপী রঞ্জন অধিকারী প্রমূখ এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি, জাতীয় পার্টি সহ অন্যান্য দলের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাজার হাজার নেতা, কর্মী ,সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।