
বাগেরহাটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে বাগেরহাট সদর থানার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বাখরগঞ্জ এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম মিরাজের বাড়িসহ অন্তত ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী ভাঙচুর এবং লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র হাতে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায়। তারা বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করে।
খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া সদর থানার পারনওপাড়া এলাকায় বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা বিজয় মিছিল বের করলে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থকদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হন।
আহতদের বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া জেলার আরও কয়েকটি স্থানে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।