
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে জমি রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে। জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে আসা একাধিক ভুক্তভোগী এমন অভিযোগ তুলেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মৈখালী সাহস এলাকার বাসিন্দা মো. জামাল শেখ ও তার সহোদর মো. আলাল শেখ ০.১১ একর (এগার শতক) জমি বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে অফিসে গেলে নানা অজুহাতে তাদের দলিল সম্পন্নে দেরি করা হয়। জমিটির দক্ষিণে গহর আলী শেখ, পূর্বে সরকারি রাস্তা, পশ্চিমে ভদ্রা নদী এবং উত্তরে অন্যান্য জমি রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, দলিলে সামান্য ভুল দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। তাদের একজন বলেন, “জরুরি চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। তাই জমি বিক্রি করতে এসেছি। কিন্তু অযথা হয়রানির শিকার হচ্ছি।”
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনোরঞ্জন বিশ্বাস জানান, দুই ভাইয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র সঠিক এবং উপজেলা নির্বাচন অফিস কর্তৃক সত্যায়িত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে চেহারার মিল না পাওয়ায় দলিল রেজিস্ট্রি করা যাচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, “ভোটার কার্ড করার সময় তার মুখে দাড়ি ছিল না, এখন দাড়ি থাকায় চিনতে সমস্যা হচ্ছে।” তবে ঘুষের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পায় এবং সরকারি সেবা গ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।