
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নন্দনপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) জেলা কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে নজিরবিহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি শিডিউলকে উপেক্ষা করে প্রথম শ্রেণির ইটের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ২ নম্বর ইট। স্থানীয়দের অভিযোগ, সাংবাদিকদের আসার খবর পেলে রাতারাতি দেয়াল প্লাস্টার (আস্তর) করে দেয়ার মাধ্যমে অনিয়ম ঢেকে ফেলা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইট অত্যন্ত নিম্নমানের এবং ভঙ্গুর। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি প্রমাণ মুছে ফেলার জন্য দিনরাত কাজ করে প্লাস্টার করছে। বিসিকের সহকারী ব্যবস্থাপক মোঃ রুকনউদ্দিন ভূইয়া সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, “আমাদের জানামতে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না।” তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সোহান অকপটে স্বীকার করেছেন অন্তত এক হাজার নিম্নমানের ইট ব্যবহার হয়েছে এবং অবশিষ্ট ইট ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সরকারি বরাদ্দের এমন অপচয় এবং বিসিক কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে নির্মাণ কাজের মান যাচাই করে দুর্নীতিবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, অন্যথায় সরকারি অর্থের অপচয় ও নিম্নমানের কাজ চলতে থাকবে।