June 7, 2026, 8:50 pm
শিরোনাম :
বাকেরগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ, ৮৮ কিলোমিটারের মরণফাঁদ: রৌমারী-রাজীবপুরে জ্বলছে ক্ষোভ রামপালে বাজারে পচা মাংস বিক্রি: দুই ব্যবসায়ীর জেল-জরিমানা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে বৃদ্ধার মৃত্যু, তদন্তের আশ্বাস সিভিল সার্জনের ৪৬ যাত্রীর জীবন রক্ষায় প্রাণ দিলেন দুলাল, পাশে দাঁড়াল এসিআই মটরস রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ আটক পুলিশ কনস্টেবল শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড ফসলি জমিতে বালু উত্তোলনের অভিযোগ, হরিণাকুন্ডুতে ক্ষোভ কৃষকদের দৌলতদিয়ায় পদ্মায় বাসডুবি: চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার গ্রেপ্তার

ভাঙ্গুড়ার শরৎনগর হাটের টোল রেট পুনঃনির্ধারণের দাবি, জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন

অভয়নগর প্রতিবেদক

পাবনা (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া): পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শরৎনগর হাট-বাজারের সরকারি টোল রেট পুনঃনির্ধারণ বা বৃদ্ধির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন হাটটির ইজারাদার মো. ফজলে আজিম।
জানা গেছে, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার আওতাধীন এই হাটের বাংলা ১৪৩৩ সনের অনুমোদিত ইজারাদার সম্প্রতি পাবনা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা ও ইজারা সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১১ অনুযায়ী ইজারা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে টোল আদায়ের হার নির্ধারণের বিধান রয়েছে।
বর্তমান অনুমোদিত টোল চার্ট অনুযায়ী, বড় গরু বা মহিষ প্রতি ৬৫০ টাকা, ছোট গরু বা মহিষ ৪৪০ টাকা, বড় ছাগল ৩০০ টাকা, ছোট ছাগল ২০০ টাকা, ভেড়া ১৫০ টাকা এবং হাঁস-মুরগির খাঁচি প্রতি ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আবেদনকারী দাবি করেছেন, পাবনার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় ভাঙ্গুড়ার টোল রেট কম হওয়ায় হাট পরিচালনা ও ইজারা কার্যক্রমে আর্থিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার টোল চার্ট উল্লেখ করেছেন, যেখানে বড় গরু প্রতি ৮০০ টাকা, ছোট গরু ৬০০ টাকা, মহিষ ১ হাজার টাকা এবং হাঁস-মুরগির খাঁচি প্রতি ১২০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, হাট-বাজার থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব পৌরসভার আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তাই টোল রেট কম থাকলে পৌরসভার রাজস্ব আয়ও কমে যেতে পারে। সেই কারণে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সকল হাট-বাজারের অনুমোদিত টোল রেট সংশোধন করে ১৪৩৩-১৪৩৪ সনের জন্য পুনঃনির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন এবং জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, আবেদনটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুক কর্নার