
পঞ্চগড় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. রাজিউর রহমান রাজ-এর বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে চাওয়া তথ্য সরবরাহ না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগকারী সাংবাদিকদের দাবি, উপ-পরিচালক মো. রাজিউর রহমান রাজ ঠাকুরগাঁও জেলার বাসিন্দা। তারা আরও অভিযোগ করেন, অতীতে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতাধীন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষক নিয়োগ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন, ইমাম প্রশিক্ষণ, স্টেশনারি ক্রয় এবং অন্যান্য ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করেন কয়েকজন সাংবাদিক।
অভিযোগ অনুযায়ী, সাংবাদিক সাইদুজ্জামান রেজা, বদরুদ্দোজা প্রধান বাঁধন, হারুন অর রশিদসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন তথ্য চেয়ে আবেদন করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো তথ্য পাননি বলে দাবি করেছেন।
সাংবাদিক বদরুদ্দোজা প্রধান বাঁধন বলেন, “ভুয়া বিল-ভাউচারের অভিযোগের বিষয়টি যাচাই করতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।”
আরটিভির পঞ্চগড় প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ বলেন, “গত ৩১ মার্চ তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেছি। একাধিকবার অফিসে গিয়েও কোনো তথ্য পাইনি।”
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়ের উপ-পরিচালক মো. রাজিউর রহমান রাজ-এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর অভিযুক্ত কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।