April 26, 2026, 7:35 am
শিরোনাম :
মহাসড়কের পাশে ময়লার স্তূপে অতিষ্ঠ ভালুকা পৌরবাসী চালক সংকটে নালিতাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ, চরম ভোগান্তি সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলনের মৃত্যুতে শোকের ছায়া তেল পাম্পে ভিড় কমছে, স্বস্তির আভাসে নতুন প্রশ্ন হিজলায় অভিযান: ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক বনানীতে মাদক কারবারের অভিযোগ: উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা কসবার দ্বীন-ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আউয়াল গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় সোমা আক্তার হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি রৌমারীতে জ্বালানি সংকট: চরম ভোগান্তিতে জনজীবন, বিপাকে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা দিরাইয়ে ২৫ লিটার চোলাইমদসহ যুবক গ্রেপ্তার

রংপুরে পশুর হাটে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের নজরদারি

অভয়নগর প্রতিবেদক

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বেতগাড়ী পশুর হাটে নির্ধারিত নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। হাট ইজারাদারের বিরুদ্ধে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে এ অনিয়ম চললেও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী পশু বিক্রেতাদের কাছ থেকে কোনো ফি নেওয়ার কথা না থাকলেও বাস্তবে তাদের কাছ থেকেও অর্থ আদায় করা হচ্ছে। গরু কেনাবেচার ক্ষেত্রে রশিদে উল্লেখিত টাকার চেয়ে বেশি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে বিক্রেতাদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ছাগল কেনাবেচার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়ম লক্ষ্য করা গেছে। নির্ধারিত ফি থাকলেও ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের কাছ থেকেই আলাদাভাবে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যা প্রতিটি লেনদেনে বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
এছাড়া হাটে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, হাঁস-মুরগি বিক্রির ক্ষেত্রেও প্রতি পিস হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা তাদের লাভ কমিয়ে দিচ্ছে।
হাটে সরকারি নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শনের নিয়ম থাকলেও তা দৃশ্যমান নয়। ফলে প্রকৃত ফি সম্পর্কে অবগত না থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতারা বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
হাট সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মচারী জানিয়েছেন, তারা ইজারাদারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন এবং নিজেরা কোনো সিদ্ধান্তে অর্থ আদায় করেন না।
স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, কষ্ট করে পশু এনে বিক্রি করেও বাড়তি খরচের কারণে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের চাপের মুখে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে হাটের ইজারাদারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি পরে কথা বলার কথা জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।



ফেসবুক কর্নার