March 18, 2026, 2:41 pm
শিরোনাম :
শিবগঞ্জে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকা পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক অভিযানে ৪২ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, ২২ কেজি গাঁজাসহ ৪ জন আটক লাউয়ের পাতা দিয়ে ইফতার, কখনো শুধু পানিতেই রোজা—নাটোরে অসহায় এক পরিবারের মানবেতর জীবন ঈদের আনন্দ কি সবার জন্য? সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা নামে ট্রাক ড্রাইভার, আড়ালে মাদকের সিন্ডিকেট: মণিরামপুরে ‘গোপন আস্তানার’ অভিযোগ শেষ মুহূর্তে মিলছে ২৮ মার্চের ট্রেনের ফিরতি টিকিট, চাপ সামলাতে ভিন্ন সময়ে বিক্রি বারুদের গন্ধে মোড়া তেহরান: হুঙ্কার, নাকি কৌশলগত বার্তা? চট্টগ্রামে ত্রিমুখী বাস সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ৮ কোম্পানীগঞ্জে জনতার ধাওয়ায় মাদক উদ্ধার, পালালেন সন্দেহভাজন যুবক

নামে ট্রাক ড্রাইভার, আড়ালে মাদকের সিন্ডিকেট: মণিরামপুরে ‘গোপন আস্তানার’ অভিযোগ

মাসুল বিল্লাহ মনিরামপুর যশোর

যশোরের মণিরামপুর পৌরশহরে মাদক কারবার বিস্তার লাভ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুণদের মাদকাসক্তির কারণে সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এ অবস্থায় পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোহনপুর গ্রামের মো. সেলিম হোসেন (ড্রাইভার সেলিম) ও তার সহযোগী রনি হোসেনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় ও একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সেলিম হোসেন একসময় পেশায় ট্রাক চালক হলেও গত কয়েক বছর তাকে আর এ পেশায় সক্রিয় দেখা যায়নি। তবে দক্ষিণাঞ্চল ও রাজধানীমুখী ট্রাকচালকদের সঙ্গে তার যোগাযোগের সূত্র ধরে মাদক পরিবহন ও সরবরাহের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পৌরশহরের খোকনের দেবদারু বাগান এলাকায় গোপন স্থানে মাদক বেচাকেনা চলে। অভিযোগ রয়েছে, বাগানের ভেতরে মাটি খুঁড়ে তৈরি করা একটি গোপন আস্তানায় বসে লেনদেন পরিচালনা করা হয় এবং আশপাশে একাধিক প্রবেশপথ থাকায় সহজে নজরদারি এড়ানো সম্ভব হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সেলিম ও তার সহযোগীরা ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য গোপনে মজুদ করে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করে থাকে। এ কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে।
এর আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে সেলিম আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল বলে জানা গেছে। ওই ঘটনায় তিনি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ও সালিসি হলেও মাদক কারবার বন্ধ হয়নি। ফলে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অতীতে সেলিম হোসেন একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও অজ্ঞাত কারণে পুনরায় একই কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (কেশবপুর-মণিরামপুর সার্কেল) ইমদাদুল হক বলেন, “মণিরামপুরে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত কার্যকর অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা গেলে মণিরামপুর পৌর এলাকার মাদক পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।



ফেসবুক কর্নার