
লামা উপজেলা-তে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের ঘাটতিতে বোরো মৌসুমে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার কৃষক। একই সঙ্গে তেলের অভাবে পরিবহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তিও বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার প্রধান সরবরাহ কেন্দ্র মেসার্স মিম ফিলিং স্টেশন-এ তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন গ্রাহকরা। চাহিদার তুলনায় তেল কোম্পানিগুলোর কম বরাদ্দ পাওয়ায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে কৃষকরা সেচ পাম্প চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল না পেয়ে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের ভোগান্তি কমাতে এগিয়ে এসেছে মিম ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, সংকট যত বড়ই হোক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, “লামা ও আশপাশের এলাকার কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বর্তমানে জ্বালানি তেলের বরাদ্দ চাহিদার তুলনায় কম হলেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ভোগান্তি কমাতে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
উল্লেখ্য, এই ফিলিং স্টেশনটি শুধু লামা নয়, পার্শ্ববর্তী আলীকদম ও চকরিয়ার একাংশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।