
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজে পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে কলেজের এক কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং আরেকজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের কাছে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জনপ্রতি ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় কলেজের অফিস সহায়ক (খণ্ডকালীন) রাজীব হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া নৈশপ্রহরী শামীম মিয়ার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) কলেজের অধ্যক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর কলেজ প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং প্রাথমিক তদন্তে দুইজনের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।
তবে স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে, এই ঘটনার পেছনে আরও প্রভাবশালী কোনো চক্র জড়িত থাকতে পারে।
এ ঘটনায় সচেতন মহল দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থা নষ্ট করে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।