
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর তত্ত্বাবধানে আয়বর্ধনমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বরাদ্দকৃত অর্থের একটি বড় অংশ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তানজিয়ারা খাতুনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, গত ৫ থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণে উপজেলার ৩০ জন দরিদ্র নারী অংশগ্রহণ করেন। এই প্রশিক্ষণের জন্য মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৮০০ টাকা বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থের তুলনায় প্রশিক্ষণার্থীদের নিম্নমানের খাবার ও সীমিত উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, প্রশিক্ষণার্থীদের সকালের নাস্তার জন্য ৮০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তাদের দেওয়া হয় শুধু বিস্কুট ও একটি কলা। দুপুরে জনপ্রতি ৩৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে কম খরচে খাবার সরবরাহ করা হয়। এছাড়া শিক্ষা উপকরণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানের খাতা, কলম ও ফাইল কভার।
নাজিমগঞ্জ বাজারের একটি খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও স্বীকার করেছে যে তারা জনপ্রতি ১৩৫ টাকার মধ্যে খাবার সরবরাহ করেছে। এতে বরাদ্দের তুলনায় ব্যয়ের বড় ধরনের গরমিলের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সরাসরি কোনো তথ্য না দিয়ে তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেন। এতে বিষয়টি আরও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সমবায় নেতারা অভিযোগ করেন, তানজিয়ারা খাতুন পূর্বেও ঘুষ, দুর্নীতি ও প্রশিক্ষণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিতর্কিত ছিলেন। কালিগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাকে অন্যত্র