July 2, 2026, 8:23 am
শিরোনাম :
এবার পোষা বিড়াল নির্যাতনের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার জমিজমা বিরোধে ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা, মৌলভীবাজারে মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৫ ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে শূন্য পদের তথ্য চেয়েছে সরকার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ,অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী ভক্তের কটাক্ষের জবাব দিলেন আলিয়া এবারের বিশ্বকাপটা আমরাই জিততে যাচ্ছি: লামিন ইয়ামাল সারা দেশে গণমিছিল সফল করার আহ্বান ১১ দলীয় ঐক্যের মিয়ানমারের ওপারে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, কেঁপে উঠল টেকনাফ সীমান্তের ঘরবাড়ি পাটক্ষেত থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১

জমিজমা বিরোধে ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা, মৌলভীবাজারে মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৫

আহমেদ আলী মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। জমিজমা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আপন ভাইকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগে মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহত আব্দুল মতিনের আপন ভাই আব্দুল মজিদ (৫০), আব্দুল আজিদ (৪৩), আব্দুল রুফ (৫৬), বোন আয়েশা আক্তার রত্না (৩৭) এবং আব্দুল মজিদের স্ত্রী তুলি বেগম (৪০)।
পুলিশ জানায়, নিহত আব্দুল মতিনের সঙ্গে তার ভাই-বোনদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলছিল। তদন্তে জানা যায়, এই বিরোধের জেরে আব্দুল মজিদ হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ভাড়াটে লোক নিয়োগ করেন। ২৮ জুন আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন তিনি। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আব্দুল মতিন আদালতের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাকে অনুসরণ করে। পরে নির্জন স্থানে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহ সদর উপজেলার সুন্দর মিয়ার পুকুরের দক্ষিণ পাশের ঢালের পাকা সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
সন্ধ্যায় আব্দুল মতিন বাড়িতে ফিরে না আসায় তার স্ত্রী লাকি আক্তার শেফা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি স্বামীর মরদেহ শনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে ২৮ জুন রাত ১১টা ৪০ মিনিটে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) নোবেল চাকমার তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে সদর মডেল থানার একটি বিশেষ তদন্ত দল কাজ শুরু করে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৩০ জুন সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মূল পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



ফেসবুক কর্নার