
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হাওরের মধ্যে চলন্ত নৌকায় এক তরুণীকে (২০) জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে নৌকার মাঝি হেলিম মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত হেলিম মিয়া উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণী ঢাকা থেকে শাল্লায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। কান্দিগাঁও নৌকাঘাটে পৌঁছে বৃষ্টির কারণে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর নিয়মিত যাত্রীবাহী নৌকা না পেয়ে শাল্লা সদরে যাওয়ার জন্য হেলিম মিয়ার ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া নেন।
নৌকা ছাড়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টু দাস শাল্লায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে একই নৌকায় ওঠেন। পরে নৌকাটি জনমানবহীন হাওর এলাকায় পৌঁছালে অভিযুক্ত মাঝি তরুণীর সঙ্গে অশোভন আচরণ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়।
এ সময় তরুণীর চিৎকার শুনে অপর যাত্রী পিন্টু দাস এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে বিষয়টি আত্মীয়স্বজনকে জানানো হলে নৌকাটি শাল্লা গুদামঘাটে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহায়তায় ভুক্তভোগী নিরাপদে উদ্ধার হন।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে।