July 21, 2026, 1:02 pm
শিরোনাম :
সিঙ্গাইরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১ ও আহত ৩ কিশোর অপহরণ করে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ, থানায় মামলা ৩০ জুলাই সারাদেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে শ্রমিকদের কর্মবিরতি, বকেয়া বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ বর্তমানে ৪৫ লাখ মামলা চলমান, এক বছরের মধ্যে মামলা জট কমে আসবে: আইনমন্ত্রী ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ হজযাত্রীদের বিমানভাড়া কমছে ৩৭ হাজার টাকা দিল্লিতে ককরোচ পার্টি-পুলিশ সংঘর্ষ : ১১৮ পুলিশ আহত, ৭০ ‘ককরোচ’ গ্রেপ্তার শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সারোয়ার তুষার নারায়ণগঞ্জে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণে আহত ৮ প্রেমের ফাঁদে ফেলে ছাত্রাবাসে আটকে তরুণীকে ধর্ষণ

দিল্লিতে ককরোচ পার্টি-পুলিশ সংঘর্ষ : ১১৮ পুলিশ আহত, ৭০ ‘ককরোচ’ গ্রেপ্তার

অভয়নগর প্রতিবেদক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর ও তার সংলগ্ন এলাকাগুলোতে গতকাল সোমবার দিনভর দফায় দফায় ধাওয়া ও সংঘাত-সহিংসতা হয়েছে তরুণ-তরুণীদের ফেইসবুকভিত্তিক গ্রুপ ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং পুলিশের মধ্যে। এ সময় সিজেপি সমর্থকদের ছোড়া ইট-পাটকেলে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১১৮ জনেরও বেশি পুলিশ।

এদিকে ‘পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সহিংস আচরণ, সরকারি যানবাহন ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি সাধনের’ অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৭০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।

ভারতের প্রধান তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি বা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার তদন্ত এবং কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চেয়ে গত ৬ জুন থেকে রাজপথে আন্দোলনে নেমেছে ফেইসবুকভিত্তিক গ্রুপ ককরোচ জনতা পার্টি।

সোমবার দাবির সপক্ষে নয়াদিল্লির জন্তর মন্তর এলাকা থেকে পার্লামেন্ট অভিমুখে পদযাত্রার পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল সিজেপির। কিন্তু সকালে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি শুরুর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হামলা চালায় পুলিশ এবং পদযাত্রাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জও করেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা।

কিন্তু ‘ছত্রভঙ্গ’ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ফের জন্তর মন্তর এলাকায় এসে জড়ো হন সিজেপি সমর্থকরা এবং তাদের কর্মসূচি ফের শুরু করার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ফের বাধা দিতে এগিয়ে আসার পর শুরু হয় দু’পক্ষের সংঘাত।

৭০ জনকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে নয়াদিল্লি পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল, পাথর নিক্ষেপের পাশাপাশি বার বার পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেছেন, সরকারি যানবাহন, সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করেছেন এবং এত বড় মাত্রার সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন, যা রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে গুরুতর হুমকির মুখে ফেলতে পারে।”

যে ১১৮ জনের অধিক পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে সাধারণ পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি নয়াদিল্লি পুলিশের স্পেশাল কমিশনার অব পুলিশ, জয়েন্ট কমিশনার অব পুলিশ, অ্যাডিশনাল কমিশনার অব পুলিশ, ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ, অ্যাডিশনাল ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ, অ্যাসিসটেন্ট কমিশনার অব পুলিশ এবং বেশ কয়েক জন নারী পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

অবশ্য পুলিশের লাঠিচার্জে সিজেপি সমর্থকরা যে আহত হয়েছেন, তা ও স্বীকার করা হয়েছে বিবৃতিতে। নয়াদিল্লি পুলিশের তথ্য অনুসারে, সোমবারের কর্মসূচিতে ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে কয়েক জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, বাকিদের অনেকে এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।



ফেসবুক কর্নার